
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও ঘনীভূত হয়েছে। এবার তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান। আজ বুধবার তুরস্ক সরকার জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল আঙ্কারার দিকে আসছিল। তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশের পূর্বেই ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ওই দুই দেশ। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েলি ভূখণ্ড ছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। যদিও তুরস্কে সরাসরি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নেই, তবে ন্যাটো জোটের সদস্য হিসেবে সেখানে পশ্চিমা বাহিনীর স্থাপনা রয়েছে।
সামরিক মহল মনে করছে, মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এই স্থাপনাগুলোই হয়তো ইরানের টার্গেট ছিল। সম্ভাব্য সব মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিশোধমূলক আক্রমণের অংশ হিসেবেই আঙ্কারার উদ্দেশ্যে এই মিসাইলটি ছোড়া হতে পারে। ইরানের এমন আক্রমণাত্মক অবস্থানের কারণে সমগ্র অঞ্চলে ন্যাটো বাহিনীকেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও ঘনীভূত হয়েছে। এবার তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান। আজ বুধবার তুরস্ক সরকার জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল আঙ্কারার দিকে আসছিল। তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশের পূর্বেই ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ওই দুই দেশ। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েলি ভূখণ্ড ছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। যদিও তুরস্কে সরাসরি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নেই, তবে ন্যাটো জোটের সদস্য হিসেবে সেখানে পশ্চিমা বাহিনীর স্থাপনা রয়েছে।
সামরিক মহল মনে করছে, মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এই স্থাপনাগুলোই হয়তো ইরানের টার্গেট ছিল। সম্ভাব্য সব মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিশোধমূলক আক্রমণের অংশ হিসেবেই আঙ্কারার উদ্দেশ্যে এই মিসাইলটি ছোড়া হতে পারে। ইরানের এমন আক্রমণাত্মক অবস্থানের কারণে সমগ্র অঞ্চলে ন্যাটো বাহিনীকেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…