
তুরস্কের দিকে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল, গুলি করে ভূপাতিত করল ন্যাটো

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আরও একবার উস্কানি দিল ইরান। সরাসরি তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার দিকে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে তেহরান। তবে আঙ্কারার আকাশসীমায় প্রবেশ করার আগেই ন্যাটোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি গুলি করে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। গতকাল বুধবার (৪ মার্চ) তুরস্ক সরকার এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জেরেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালালে পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইহুদিবাদী বাহিনী ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্রমাগত ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে আসছিল।
তুরস্কের মাটিতে সরাসরি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি না থাকলেও দেশটিতে পশ্চিমা জোট ন্যাটোর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। আঙ্কারা ন্যাটোর অন্যতম সদস্য হওয়ায় সেখানকার ঘাঁটিগুলো যৌথভাবে ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই কারণেই ওই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করে তুরস্কের উদ্দেশ্যে মিসাইলটি ছোড়া হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সমগ্র অঞ্চলে নতুন করে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

তুরস্কের দিকে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল, গুলি করে ভূপাতিত করল ন্যাটো

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আরও একবার উস্কানি দিল ইরান। সরাসরি তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার দিকে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে তেহরান। তবে আঙ্কারার আকাশসীমায় প্রবেশ করার আগেই ন্যাটোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি গুলি করে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। গতকাল বুধবার (৪ মার্চ) তুরস্ক সরকার এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জেরেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালালে পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইহুদিবাদী বাহিনী ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্রমাগত ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে আসছিল।
তুরস্কের মাটিতে সরাসরি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি না থাকলেও দেশটিতে পশ্চিমা জোট ন্যাটোর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। আঙ্কারা ন্যাটোর অন্যতম সদস্য হওয়ায় সেখানকার ঘাঁটিগুলো যৌথভাবে ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই কারণেই ওই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করে তুরস্কের উদ্দেশ্যে মিসাইলটি ছোড়া হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সমগ্র অঞ্চলে নতুন করে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…