ইরানের হামলায় আরব দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব হুমকিতে, পাল্টা পদক্ষেপের ইঙ্গিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিমান হামলার জবাবে ইরান যখন উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে চলেছে, তখন আরপ প্রতিবেশীরা নিরাপত্তা ও অর্থনীতির সংকটে পড়েছে। তেল ও গ্যাস শিল্পের ওপর এই হামলার প্রভাব এতটাই গুরুতর যে তা বৈশ্বিক বাজারেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধে জড়াতে না চাইলেও নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ওই অঞ্চলের দেশগুলো।
গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি এক ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের এই হামলা তাদের সার্বভৌমত্বের সীমানা অতিক্রম করেছে। তিনি বলেন, বেসামরিক ও আবাসিক এলাকায় হামলার পরিণতি ভয়াবহ এবং এর জবাবে তাদের সামনে সব বিকল্পই খোলা রয়েছে। এই অস্থিরতার মধ্যেও এখন পর্যন্ত কোনো আরব রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের মাটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর অনুমতি দেয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই কৌশলের মাধ্যমে প্রতিবেশীদের অস্থির করে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। কিন্তু এর ফলে উল্টো ওয়াশিংটনের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ইরানের এই আগ্রাসনের মুখে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের মতো দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তারা সরাসরি সামরিক জোটে যোগ দিতে বাধ্য হতে পারে।

