
খামেনি নিহতের পরও থামছে না ইরান যুদ্ধ, বাড়ছে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরানের ওপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পরও সংঘাত কমেনি। বরং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে দ্রুত সমাধানের কোনো ইঙ্গিতও মিলছে না।
ওয়াশিংটন থেকে আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে যে, এই সামরিক অভিযান সম্ভবত স্বল্পমেয়াদে শেষ হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যদিও একে ইরাক যুদ্ধের মতো দীর্ঘমেয়াদী বলে মানতে চাননি, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন স্পষ্ট করে বলেছেন যে ভবিষ্যতে আরও বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্য এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর পরিকল্পনা থেকে বোঝা যায়, আগামী দিনে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করাই মূল লক্ষ্য। এমনকি প্রয়োজনে স্থলবাহিনী মোতায়েন অথবা ইরানের বিরোধী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করার চিন্তাও করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

খামেনি নিহতের পরও থামছে না ইরান যুদ্ধ, বাড়ছে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরানের ওপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পরও সংঘাত কমেনি। বরং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে দ্রুত সমাধানের কোনো ইঙ্গিতও মিলছে না।
ওয়াশিংটন থেকে আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে যে, এই সামরিক অভিযান সম্ভবত স্বল্পমেয়াদে শেষ হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যদিও একে ইরাক যুদ্ধের মতো দীর্ঘমেয়াদী বলে মানতে চাননি, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন স্পষ্ট করে বলেছেন যে ভবিষ্যতে আরও বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্য এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর পরিকল্পনা থেকে বোঝা যায়, আগামী দিনে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করাই মূল লক্ষ্য। এমনকি প্রয়োজনে স্থলবাহিনী মোতায়েন অথবা ইরানের বিরোধী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করার চিন্তাও করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…