
ইরানি হুমকি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি যুক্তরাজ্যের

ইরানের সম্ভাব্য আগ্রাসন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই ওয়াশিংটনের এই অনুরোধে সাড়া দিয়েছে লন্ডন।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার জানান, ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে অবস্থান নিয়েছে এবং তারা সফলভাবে ইরানের হামলা প্রতিহত করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংঘাত বন্ধ করার একমাত্র পথ হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসেই ধ্বংস করা, অর্থাৎ সেগুলো লঞ্চার বা সংরক্ষণাগার থেকে বের হওয়ার আগেই নিরপেক্ষ করে দেওয়া।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরান যাতে সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ চালাতে না পারে এবং এই সংঘাতে জড়িত নয় এমন দেশগুলোর ওপর হামলা করতে না পারে, সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে সাড়া দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এটি একটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ, যার মূল লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ব্রিটিশ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানি হুমকি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি যুক্তরাজ্যের

ইরানের সম্ভাব্য আগ্রাসন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই ওয়াশিংটনের এই অনুরোধে সাড়া দিয়েছে লন্ডন।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার জানান, ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে অবস্থান নিয়েছে এবং তারা সফলভাবে ইরানের হামলা প্রতিহত করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংঘাত বন্ধ করার একমাত্র পথ হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসেই ধ্বংস করা, অর্থাৎ সেগুলো লঞ্চার বা সংরক্ষণাগার থেকে বের হওয়ার আগেই নিরপেক্ষ করে দেওয়া।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরান যাতে সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ চালাতে না পারে এবং এই সংঘাতে জড়িত নয় এমন দেশগুলোর ওপর হামলা করতে না পারে, সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে সাড়া দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এটি একটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ, যার মূল লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ব্রিটিশ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…