যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্বে আয়াতুল্লাহ আরাফি

আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে তৈরি হওয়া শূন্যতা পূরণ ও যুদ্ধপরিস্থিতি সামলাতে অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। এই জরুরি পরিষদের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন দেশটির প্রখ্যাত আলেম ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি। ৬৭ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতাকে নেতৃত্ব পরিষদের আইনবিদ বা জুরিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব এই অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের ওপর ন্যস্ত থাকবে। আলিরেজা আরাফির পাশাপাশি এই পরিষদের অংশ হিসেবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া আইআরজিসি ও নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিও এই সংকটকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
নেতৃত্ব পরিবর্তনের এই মুহূর্তে সামরিক অভিযান আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের এলিট ফোর্স রেভল্যুশনারি গার্ড বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কিছু মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। অপরদিকে, ইসরাইলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তেল আবিবের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ধ্বংস হয়েছে। এতে অন্তত একজন নারী নিহত এবং ১২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দুবাই ও বাহরাইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

