
প্রতিশোধ: ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যৌথ আগ্রাসনের জের ধরে প্রতিশোধমূলক অভিযানে নেমেছে ইরান। রোববার (১ মার্চ) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর দিকে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেল আবিবের হাকিরিয়া কমপ্লেক্স, তেল নফ বিমানঘাঁটি এবং জেনারেল স্টাফ হেডকোয়ার্টারসহ একাধিক স্থাপনায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ‘ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানের ষষ্ঠ ধাপ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ২৭টি সামরিক ঘাঁটিকেও এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে ইরানের ওপর আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই পাল্টা হামলা হচ্ছে।
তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দখলকৃত ভূখণ্ড ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে সতর্কতামূলক সাইরেনের শব্দ তারা আর থামতে দেবে না। শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন কঠোর এবং ভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিতে থাকবে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

প্রতিশোধ: ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যৌথ আগ্রাসনের জের ধরে প্রতিশোধমূলক অভিযানে নেমেছে ইরান। রোববার (১ মার্চ) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর দিকে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেল আবিবের হাকিরিয়া কমপ্লেক্স, তেল নফ বিমানঘাঁটি এবং জেনারেল স্টাফ হেডকোয়ার্টারসহ একাধিক স্থাপনায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ‘ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানের ষষ্ঠ ধাপ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ২৭টি সামরিক ঘাঁটিকেও এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে ইরানের ওপর আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই পাল্টা হামলা হচ্ছে।
তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দখলকৃত ভূখণ্ড ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে সতর্কতামূলক সাইরেনের শব্দ তারা আর থামতে দেবে না। শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন কঠোর এবং ভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিতে থাকবে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…