
খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হলো ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে
ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃতদেহের একটি ছবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দেখানো হয়েছে। দেশটির দুটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এই দাবি করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত বিবৃতিতে জানানো হয়, শনিবার ভোরে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় হামলার শিকার হন খামেনি। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি ভেরিফাই লিডারশিপ হাউস কমপ্লেক্সে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা পেয়েছে। এই হামলায় তার মেয়ে, জামাতা, নাতনি এবং এক পুত্রবধূ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো এখন তার ছবি ও কোরআন তেলাওয়াত প্রচার করছে। ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে এবং একে নিপীড়কদের বিরুদ্ধে নতুন করে সংগ্রামের ডাক বলে উল্লেখ করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হলো ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে
ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃতদেহের একটি ছবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দেখানো হয়েছে। দেশটির দুটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এই দাবি করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত বিবৃতিতে জানানো হয়, শনিবার ভোরে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় হামলার শিকার হন খামেনি। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি ভেরিফাই লিডারশিপ হাউস কমপ্লেক্সে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা পেয়েছে। এই হামলায় তার মেয়ে, জামাতা, নাতনি এবং এক পুত্রবধূ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো এখন তার ছবি ও কোরআন তেলাওয়াত প্রচার করছে। ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে এবং একে নিপীড়কদের বিরুদ্ধে নতুন করে সংগ্রামের ডাক বলে উল্লেখ করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…