
ইরানের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন যে তিন নেতা, গঠিত হলো অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর ইরানে সাময়িক শূন্যতা পূরণে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শীর্ষ পদের দায়িত্ব সামলানোর জন্য একটি বিশেষ তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পরবর্তী স্থায়ী নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দেশ পরিচালনার সর্বময় ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
এই অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে রয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিল বা অভিভাবক পরিষদের একজন প্রতিনিধি। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরিষদ যতদিন না পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন, ততদিন এই তিন সদস্যের কাউন্সিলই সামরিক ও বেসামরিক সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
বর্তমানে ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই পদক্ষেপকে সাংবিধানিক ক্ষমতা হস্তান্তরের শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যোগ্য উত্তরসূরি নির্বাচনের দায়িত্ব এখন এই তিন নেতার ওপর ন্যস্ত হয়েছে। তাদের সক্ষমতার ওপরই এখন ইরানের ভবিষ্যৎ পথচলা নির্ভর করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন যে তিন নেতা, গঠিত হলো অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর ইরানে সাময়িক শূন্যতা পূরণে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শীর্ষ পদের দায়িত্ব সামলানোর জন্য একটি বিশেষ তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পরবর্তী স্থায়ী নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দেশ পরিচালনার সর্বময় ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
এই অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে রয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিল বা অভিভাবক পরিষদের একজন প্রতিনিধি। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরিষদ যতদিন না পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন, ততদিন এই তিন সদস্যের কাউন্সিলই সামরিক ও বেসামরিক সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
বর্তমানে ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই পদক্ষেপকে সাংবিধানিক ক্ষমতা হস্তান্তরের শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যোগ্য উত্তরসূরি নির্বাচনের দায়িত্ব এখন এই তিন নেতার ওপর ন্যস্ত হয়েছে। তাদের সক্ষমতার ওপরই এখন ইরানের ভবিষ্যৎ পথচলা নির্ভর করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…