
মিনাবে স্কুলে ভয়াবহ হামলায় নিহত ১১৮, ইরানের তীব্র প্রতিবাদ

দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের ‘শাজাবা তাইয়্যেবা’ বালিকা বিদ্যালয়ে চালানো বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ এই হামলার পর থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী দল। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলটি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে মাত্র ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যদিও ২০১৬ সাল থেকে এটি সামরিক ঘাঁটি থেকে আলাদা করা হয়েছিল, তবুও এর অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামলার সময় শিশুরা ক্লাসে উপস্থিত ছিল এবং স্কুলের ভেতরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে।
এই ঘটনায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, তারা বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে, এই হামলাকে নিন্দা জানিয়ে ইরান একে সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

মিনাবে স্কুলে ভয়াবহ হামলায় নিহত ১১৮, ইরানের তীব্র প্রতিবাদ

দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের ‘শাজাবা তাইয়্যেবা’ বালিকা বিদ্যালয়ে চালানো বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ এই হামলার পর থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী দল। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলটি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে মাত্র ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যদিও ২০১৬ সাল থেকে এটি সামরিক ঘাঁটি থেকে আলাদা করা হয়েছিল, তবুও এর অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামলার সময় শিশুরা ক্লাসে উপস্থিত ছিল এবং স্কুলের ভেতরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে।
এই ঘটনায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, তারা বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে, এই হামলাকে নিন্দা জানিয়ে ইরান একে সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…