বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরও কেন ভেঙে গেল মিঠুন-মমতার সম্পর্ক?
টলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর এবং বলিউডের ডিস্কো ড্যান্সার খ্যাত মিঠুন চক্রবর্তীর প্রণয়কাহিনী এক সময় বেশ আলোচিত ছিল। দুজনের সম্পর্ক এতদূর এগিয়েছিল যে বিয়ের তারিখও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই শেষ মুহূর্তে এই তারকা জুটির বিয়ে ভেঙে যায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মমতা শঙ্কর জানিয়েছেন, কী কারণে তাদের এই সম্পর্কের ইতি ঘটেছিল।
মমতা শঙ্কর জানান, তার বর্তমান স্বামী চন্দ্রদয় ঘোষ ওরফে বাপিদার সঙ্গে তার বিয়ের কথা চলছিল। এরই মধ্যে ‘মৃগয়া’ সিনেমার শুটিংসেটে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা হয়। মমতা প্রথমে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করেছিলেন যাতে বাপিদার সঙ্গে তিনি প্রতারণা না করেন। কিন্তু শুটিং সেটে তাদের মধ্যে যা হয়েছিল, তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। মিঠুনের পরিবারের সদস্যরাও মমতার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করতেন।
তবে এর মধ্যেই মিঠুনের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরতে থাকে। সিনেমায় একের পর এক হিট দিয়ে তিনি তখন তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। মমতা জানান, মুম্বাইয়ে কাজের সূত্রে মিঠুনের সঙ্গে একাধিক নারীর নাম জড়িয়ে পড়ে। সংসার করার পাশাপাশি ক্যারিয়ারের এই ঊর্ধ্বগতি ও নতুন নতুন সম্পর্কের কারণে মিঠুন আর বিয়ের পিঁড়িতে বসতে রাজি হননি। তিনি বিয়ে পিছিয়ে দেন এবং কিছুটা সময় চান।
অবশেষে মমতা তার পুরনো প্রেমিক বাপিদার কাছেই ফিরে যান। এর কিছুদিন পর মিঠুনের মা ফোন করে মমতাকে ছেলের সঙ্গে কথা বলান। ফোনে মিঠুন এমনভাবে কথা বলতে শুরু করেন যেন তাদের মধ্যে কিছুই হয়নি। মমতা কান্নায় ভেঙে পড়লে মিঠুন বলেন, ‘মমতা আই হেট টিয়ার্স!’ এরপর বন্ধুর জন্য মেয়ে দেখতে যাওয়ার কথা বললেও পরে জানান যে, সেই মেয়েটি তার জন্যই দেখা হচ্ছিল।

