বিজ্ঞাপন

জান্নাত-জাহান্নামের মাঝে আরাফবাসীদের চরম আকুতি ও পরিণতি

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২:৩০ এএম
জান্নাত-জাহান্নামের মাঝে আরাফবাসীদের চরম আকুতি ও পরিণতি

কেয়ামতের দিন আমলনামা মাপার পর মানুষ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হবে—জান্নাতি ও জাহান্নামি। তবে এই দুই শ্রেণির বাইরে একটি বিশেষ দল থাকবে, যারা জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান করবে। তাদের বলা হয় ‘আসহাবে আরাফ’ বা আরাফবাসী। পবিত্র কোরআনে এই দলের আলোচনা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, তাদের নামেই একটি পূর্ণাঙ্গ সুরার নামকরণ করা হয়েছে ‘সুরা আরাফ’।

জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী বেষ্টনীর উঁচু স্থানকে ‘আরাফ’ বলা হয়। প্রখ্যাত সাহাবি হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আরাফ উঁচু টাওয়ারের মতো, যা দুই স্থানের মাঝখানে অবস্থিত। এই স্থানে অবস্থানকারীরা উভয় পক্ষের লোকদের তাদের নিদর্শন দেখে চিনতে পারবে। আরাফবাসীরা হলো সেই ব্যক্তি, যাদের নেকি ও পাপ সমান। তাদের নেক আমল তাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়েছে, কিন্তু গুনাহের কারণে তারা এখনও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারেনি। জান্নাতিদের দিকে তাকালে তারা খুশিতে ‘সালামুন আলাইকুম’ বলে শুভেচ্ছা জানায়।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, জাহান্নামের আগুন ও শাস্তিপ্রাপ্ত মানুষ দেখলে আরাফবাসীরা আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে বলে, ‘হে আমাদের রব! আমাদেরকে জালেম সম্প্রদায়ের সঙ্গী করবেন না।’ তারা আগুনে লাঞ্ছিত প্রতাপশালী ও অহংকারী নেতাদের দেখে ভর্ৎসনা করে বলে, দুনিয়ার ক্ষমতা ও অহংকার আজ কোনো কাজে আসল না। এই দৃশ্য থেকে শিক্ষা মিলে যে, দুনিয়ার সাময়িক ক্ষমতা বা সম্পদ পরকালে কাজে আসে না। মুমিনদের উচিত জালেমদের সঙ্গ ত্যাগ করা এবং নেক আমলে মনোনিবেশ করা।

বিজ্ঞাপন
শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...