নাড়িভুঁড়িসহ ড্রেসিং: মুরগির মাংস খাওয়া কি শরীয়তে জায়েজ?
বাজারে পালক পরিষ্কারের জন্য নাড়ি-ভুঁড়িসহ মুরগি গরম পানিতে ডোবানোর প্রথা প্রচলিত। এমতাবস্থায় অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ এই পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস খাওয়া শরীয়তসম্মত কিনা তা নিয়ে দ্বিধাবোধ করেন। ফিকহি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অল্প সময়ের জন্য গরম পানিতে চুবিয়ে ড্রেসিং করা মুরগির গোশত খাওয়া বৈধ বা জায়েজ। কারণ স্বল্প সময়ে পানিতে থাকলে অভ্যন্তরীণ অঙ্গের নোংরা বা দুর্গন্ধ মাংসের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না।
সাধারণত লোমকূপ নরম করে পালক ছাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। তবে এক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে হবে যে, অতিরিক্ত গরম বা ফুটন্ত পানিতে মুরগিটি দীর্ঘ সময় ভেজানো হয়নি। যদি দীর্ঘ সময় গরম পানিতে রাখার ফলে অন্ত্রের নাপাকির স্বাদ বা গন্ধ মাংসে চলে আসে, তবে তা খাওয়া নিষিদ্ধ বা নাজায়েজ হবে। ফিকাহবিদগণ এমন দুর্গন্ধযুক্ত মাংসকে ‘মুন্তিন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

রান্নার পূর্বে বাজার থেকে আনা এই মুরগি ভালোমতো ধুয়ে পরিষ্কার করা অত্যাবশ্যক। এতে চামড়ার গায়ে লেগে থাকা ধুলাবালি বা সম্ভাব্য নাপাকি দূর হয়ে মাংস খাওয়ার উপযোগী হয়। তবে সন্দেহ এড়াতে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মুরগির চামড়া ছাড়িয়ে ফেলে গোশত রান্না করাই সবচেয়ে উত্তম বলে মনে করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ বনভোজন
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির মেলবন্ধন
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু

আরও পড়ুন
নাড়িভুঁড়িসহ ড্রেসিং: মুরগির মাংস খাওয়া কি শরীয়তে জায়েজ?
বাজারে পালক পরিষ্কারের জন্য নাড়ি-ভুঁড়িসহ মুরগি গরম পানিতে ডোবানোর প্রথা প্রচলিত। এমতাবস্থায় অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ এই পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস খাওয়া শরীয়তসম্মত কিনা তা নিয়ে দ্বিধাবোধ করেন। ফিকহি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অল্প সময়ের জন্য গরম পানিতে চুবিয়ে ড্রেসিং করা মুরগির গোশত খাওয়া বৈধ বা জায়েজ। কারণ স্বল্প সময়ে পানিতে থাকলে অভ্যন্তরীণ অঙ্গের নোংরা বা দুর্গন্ধ মাংসের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না।
সাধারণত লোমকূপ নরম করে পালক ছাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। তবে এক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে হবে যে, অতিরিক্ত গরম বা ফুটন্ত পানিতে মুরগিটি দীর্ঘ সময় ভেজানো হয়নি। যদি দীর্ঘ সময় গরম পানিতে রাখার ফলে অন্ত্রের নাপাকির স্বাদ বা গন্ধ মাংসে চলে আসে, তবে তা খাওয়া নিষিদ্ধ বা নাজায়েজ হবে। ফিকাহবিদগণ এমন দুর্গন্ধযুক্ত মাংসকে ‘মুন্তিন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

রান্নার পূর্বে বাজার থেকে আনা এই মুরগি ভালোমতো ধুয়ে পরিষ্কার করা অত্যাবশ্যক। এতে চামড়ার গায়ে লেগে থাকা ধুলাবালি বা সম্ভাব্য নাপাকি দূর হয়ে মাংস খাওয়ার উপযোগী হয়। তবে সন্দেহ এড়াতে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মুরগির চামড়া ছাড়িয়ে ফেলে গোশত রান্না করাই সবচেয়ে উত্তম বলে মনে করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ…
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির…
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু