থার্টি ফার্স্টের হট্টগোল বন্ধে মানবিক আহ্বান আজহারী-আহমাদুল্লাহর
ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানোর প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের দুই শীর্ষ ইসলামি চিন্তাবিদ শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা জানিয়েছেন, অন্যের দুঃখ-কষ্ট ডেকে আনা এই ধরনের উদযাপন মোটেও মানবিক নয় এবং এর ফলে জনজীবনে বিপদ বাড়ছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, গভীর রাতে আতশবাজির বিস্ফোরণে শিশু, অসুস্থ মানুষ এমনকি পশুপাখিরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। উৎসবের নামে সবাইকে বিপদে ফেলা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। অন্যদিকে, ফানুস ওড়ানোর কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তুলে ধরেন মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি বলেন, সামান্য আনন্দের জন্য লাখ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে ছাই হলে তা কি মানবিকতার পরিচয় হতে পারে? শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসব আয়োজন শিশুদের মানসিক আতঙ্ক বাড়ায় বলেও মন্তব্য করেন এই ইসলামি পণ্ডিত।

এই দুই ব্যক্তিত্বের বক্তব্য সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা তাদের সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, উৎসব যেন কারো ক্ষতির কারণ না হয়। প্রতিবছর এই সময়ে আতশবাজি ও ফানুসের কারণে অগ্নিকাণ্ড ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, যা রোধে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ এবং সামাজিক সচেতনতা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ বনভোজন
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির মেলবন্ধন
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু

আরও পড়ুন
থার্টি ফার্স্টের হট্টগোল বন্ধে মানবিক আহ্বান আজহারী-আহমাদুল্লাহর
ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানোর প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের দুই শীর্ষ ইসলামি চিন্তাবিদ শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা জানিয়েছেন, অন্যের দুঃখ-কষ্ট ডেকে আনা এই ধরনের উদযাপন মোটেও মানবিক নয় এবং এর ফলে জনজীবনে বিপদ বাড়ছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, গভীর রাতে আতশবাজির বিস্ফোরণে শিশু, অসুস্থ মানুষ এমনকি পশুপাখিরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। উৎসবের নামে সবাইকে বিপদে ফেলা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। অন্যদিকে, ফানুস ওড়ানোর কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তুলে ধরেন মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি বলেন, সামান্য আনন্দের জন্য লাখ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে ছাই হলে তা কি মানবিকতার পরিচয় হতে পারে? শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসব আয়োজন শিশুদের মানসিক আতঙ্ক বাড়ায় বলেও মন্তব্য করেন এই ইসলামি পণ্ডিত।

এই দুই ব্যক্তিত্বের বক্তব্য সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা তাদের সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, উৎসব যেন কারো ক্ষতির কারণ না হয়। প্রতিবছর এই সময়ে আতশবাজি ও ফানুসের কারণে অগ্নিকাণ্ড ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, যা রোধে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ এবং সামাজিক সচেতনতা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ…
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির…
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু