পর্দা বিধানে শিথিলতা: যাদের সামনে নারীদের সাজসজ্জা বৈধ রয়েছে
ইসলামি শরীয়তে নারীর পর্দা একটি অপরিহার্য বিধান হলেও সকল পুরুষের সামনে এর মাত্রা একরকম নয়। শরীয়তে কিছু নির্দিষ্ট পুরুষকে ‘মাহরাম’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যাদের সামনে মহিলাদের জন্য কঠোর পর্দা বা আবরণ আবশ্যিক নয়। যাদের সাথে কোনো নারীর চিরস্থায়ী বিবাহ ইসলামে নিষিদ্ধ, মূলত তারাই এই মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কের তিনটি ভিত্তি—রক্তের সম্পর্ক, দুধপানের সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্ক।
পবিত্র কোরআনের সুরা নুরের ৩১ নম্বর আয়াতে এসব ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রক্তের সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন পিতা, দাদা, নানা, পুত্র, নাতি, সহোদর ও সৎ ভাই, ভ্রাতুষ্পুত্র এবং ভগিনীপুত্র। এছাড়া চাচা ও মামাও পিতৃতুল্য হওয়ায় তারা মাহরাম। একইভাবে, দুধপানের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পর্ক—যেমন দুধ-ভাই, দুধ-পিতা বা দুধ-পুত্র—মাহরাম হিসেবে গণ্য। অপরদিকে, বিবাহের কারণে শ্বশুর, শ্বশুরের ঊর্ধ্বতন এবং স্বামীর পূর্ববর্তী স্ত্রীর সন্তানরাও মাহরামের আওতায় আসেন। তবে স্বামীর ভাই (দেবর) এবং তার চাচা-মামারা মাহরাম নন; হাদিস শরিফে দেবরের সামনে পর্দার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

যদিও মাহরামদের সামনে পর্দার কড়াকড়ি নিয়ম শিথিল করা হয়েছে, তবুও ইসলামের মূল ভিত্তি ‘হায়া’ বা শালীনতা সর্বক্ষণ বজায় রাখা ফরজ। মাহরাম হও
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ বনভোজন
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির মেলবন্ধন
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু

আরও পড়ুন
পর্দা বিধানে শিথিলতা: যাদের সামনে নারীদের সাজসজ্জা বৈধ রয়েছে
ইসলামি শরীয়তে নারীর পর্দা একটি অপরিহার্য বিধান হলেও সকল পুরুষের সামনে এর মাত্রা একরকম নয়। শরীয়তে কিছু নির্দিষ্ট পুরুষকে ‘মাহরাম’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যাদের সামনে মহিলাদের জন্য কঠোর পর্দা বা আবরণ আবশ্যিক নয়। যাদের সাথে কোনো নারীর চিরস্থায়ী বিবাহ ইসলামে নিষিদ্ধ, মূলত তারাই এই মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কের তিনটি ভিত্তি—রক্তের সম্পর্ক, দুধপানের সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্ক।
পবিত্র কোরআনের সুরা নুরের ৩১ নম্বর আয়াতে এসব ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রক্তের সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন পিতা, দাদা, নানা, পুত্র, নাতি, সহোদর ও সৎ ভাই, ভ্রাতুষ্পুত্র এবং ভগিনীপুত্র। এছাড়া চাচা ও মামাও পিতৃতুল্য হওয়ায় তারা মাহরাম। একইভাবে, দুধপানের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পর্ক—যেমন দুধ-ভাই, দুধ-পিতা বা দুধ-পুত্র—মাহরাম হিসেবে গণ্য। অপরদিকে, বিবাহের কারণে শ্বশুর, শ্বশুরের ঊর্ধ্বতন এবং স্বামীর পূর্ববর্তী স্ত্রীর সন্তানরাও মাহরামের আওতায় আসেন। তবে স্বামীর ভাই (দেবর) এবং তার চাচা-মামারা মাহরাম নন; হাদিস শরিফে দেবরের সামনে পর্দার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

যদিও মাহরামদের সামনে পর্দার কড়াকড়ি নিয়ম শিথিল করা হয়েছে, তবুও ইসলামের মূল ভিত্তি ‘হায়া’ বা শালীনতা সর্বক্ষণ বজায় রাখা ফরজ। মাহরাম হও
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ…
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির…
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু