
যুদ্ধের কবলে হরমুজ, আটকে ১৫০ তেলবাহী, বাড়ছে জ্বালানির দামের ঝুঁকি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালীতে তৈরি হয়েছে তীব্র অচলাবস্থা। যেকোনো সময় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার আশঙ্কায় পারস্য উপসাগরে নোঙর করে আছে অন্তত ১৫০টি বিশাল আকারের জ্বালানিবাহী ট্যাংকার। জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, এসব জাহাজে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রয়েছে, যারা নিরাপত্তার কারণে এগিয়ে যেতে পারছে না।
হরমুজ প্রণালীর দুই প্রান্তে অপেক্ষারত এসব জাহাজের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে, যা সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট ডেকে আনবে।
পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি রোববার (১ মার্চ) শিপ-ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। যুদ্ধকবলিত এই এলাকা দিয়ে চলাচলের ঝুঁকি এড়াতে জাহাজ মালিকরা এখন সমুদ্রপথে চলাচল সীমিত করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

যুদ্ধের কবলে হরমুজ, আটকে ১৫০ তেলবাহী, বাড়ছে জ্বালানির দামের ঝুঁকি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালীতে তৈরি হয়েছে তীব্র অচলাবস্থা। যেকোনো সময় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার আশঙ্কায় পারস্য উপসাগরে নোঙর করে আছে অন্তত ১৫০টি বিশাল আকারের জ্বালানিবাহী ট্যাংকার। জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, এসব জাহাজে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রয়েছে, যারা নিরাপত্তার কারণে এগিয়ে যেতে পারছে না।
হরমুজ প্রণালীর দুই প্রান্তে অপেক্ষারত এসব জাহাজের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে, যা সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট ডেকে আনবে।
পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি রোববার (১ মার্চ) শিপ-ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। যুদ্ধকবলিত এই এলাকা দিয়ে চলাচলের ঝুঁকি এড়াতে জাহাজ মালিকরা এখন সমুদ্রপথে চলাচল সীমিত করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…