গ্রাহকের পাওনা ৪ হাজার কোটি, ই-কমার্সে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন ৩ নির্দেশনা
দেশের ই-কমার্স খাতে অনিয়ন্ত্রিত গতিতে বেড়ে ওঠা প্রতারণা ও অনিয়ম রোধে তৎপর হয়েছে সরকার। এ খাতে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনতে ইতোমধ্যে তিনটি নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, ভুক্তভোগীদের আর্থিক ক্ষতি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও বিক্রেতারা প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা ফেরত চেয়েছেন। ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, ধামাকা শপিং ও আলেশা মার্টসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ওঠে।
সুশাসন নিশ্চিত করতে ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি (ডিবিআইডি) চালু করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানই গোপনে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা এবং ডিবিআইডি নিবন্ধন নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে। জমা হওয়া অভিযোগগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিক নিষ্পত্তি করে ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

