
গুমের ৬১ দিন কবরের মতো কক্ষে কাটিয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত ‘মায়ের ডাক’ অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তে নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দীর্ঘ ৬১ দিন অজ্ঞাত আটকে থাকার পর চোখ বেঁধে তাকে ভারতের শিলংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশ তাকে মানসিক রোগী মনে করলেও ক্যামেরার সামনে মাত্র এক সেকেন্ড সময় পেয়ে তিনি নিজ পরিচয় দিয়েছিলেন।
গুমকালীন নির্যাতনের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, তাকে একটি ৮ ফুট বাই ৪ ফুটের সংকীর্ণ কক্ষে রাখা হয়েছিল, যা ছিল কবরের মতো। সেখানে দুর্গন্ধ ও বিষাক্ত পোকামাকড়ের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে তাকে। দিনরাতের হিসাব ছিল না, শুধু নাশতা আসলে বুঝতেন সকাল হয়েছে। দেয়ালে নখের আঁচড় দিয়ে দিন গুনতেন এবং প্রতিটি মুহূর্তে শঙ্কা থাকত আর একটি ভোর দেখতে পারবেন কি না।
হার্টে স্টেন্টিং ও কিডনির জটিলতা থাকা সত্ত্বেও সেই পরিবেশে চিকিৎসার অভাবে তিনি আতঙ্কিত ছিলেন। গুমকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তার মৃত্যু হলে যেন লাশটি তার পরিবারকে ফেরত দেওয়া হয়। শিলংয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে তার নিজের পরিচয় নিশ্চিত করার মুহূর্তটি আজও তার মনে গেঁথে আছে।
সম্পর্কিত খবর
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধা, বিরোধীদলকে কঠোর সমালোচনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সংসদে ফোনালাপের বোঝাপড়া নিয়ে সরকার ও বিরোধীদলের তুমুল বাদানুবাদ
রাজধানীর ৬ থানায় মহড়ি চালিয়ে মোট ৭৬ জনকে গ্রেফতার করেছে…
শিক্ষিকা হত্যায় গ্রেফতার পনি গাজী, বাইকের রঙে ধোঁয়াশা
সংবিধান সংশোধন ও কমিটি পুনর্গঠন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী বাদানুবাদ
সংসদে ফোনালাপের ‘বোঝাপড়া’ নিয়ে সরকার-বিরোধী বাদানুবাদ

আরও পড়ুন

গুমের ৬১ দিন কবরের মতো কক্ষে কাটিয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত ‘মায়ের ডাক’ অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন মুহূর্তে নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দীর্ঘ ৬১ দিন অজ্ঞাত আটকে থাকার পর চোখ বেঁধে তাকে ভারতের শিলংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশ তাকে মানসিক রোগী মনে করলেও ক্যামেরার সামনে মাত্র এক সেকেন্ড সময় পেয়ে তিনি নিজ পরিচয় দিয়েছিলেন।
গুমকালীন নির্যাতনের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, তাকে একটি ৮ ফুট বাই ৪ ফুটের সংকীর্ণ কক্ষে রাখা হয়েছিল, যা ছিল কবরের মতো। সেখানে দুর্গন্ধ ও বিষাক্ত পোকামাকড়ের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে তাকে। দিনরাতের হিসাব ছিল না, শুধু নাশতা আসলে বুঝতেন সকাল হয়েছে। দেয়ালে নখের আঁচড় দিয়ে দিন গুনতেন এবং প্রতিটি মুহূর্তে শঙ্কা থাকত আর একটি ভোর দেখতে পারবেন কি না।
হার্টে স্টেন্টিং ও কিডনির জটিলতা থাকা সত্ত্বেও সেই পরিবেশে চিকিৎসার অভাবে তিনি আতঙ্কিত ছিলেন। গুমকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তার মৃত্যু হলে যেন লাশটি তার পরিবারকে ফেরত দেওয়া হয়। শিলংয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে তার নিজের পরিচয় নিশ্চিত করার মুহূর্তটি আজও তার মনে গেঁথে আছে।
সম্পর্কিত খবর
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধা, বিরোধীদলকে কঠোর সমালোচনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সংসদে ফোনালাপের বোঝাপড়া নিয়ে সরকার ও বিরোধীদলের তুমুল…
রাজধানীর ৬ থানায় মহড়ি চালিয়ে মোট ৭৬ জনকে…
শিক্ষিকা হত্যায় গ্রেফতার পনি গাজী, বাইকের রঙে ধোঁয়াশা
সংবিধান সংশোধন ও কমিটি পুনর্গঠন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী…
সংসদে ফোনালাপের ‘বোঝাপড়া’ নিয়ে সরকার-বিরোধী বাদানুবাদ