
বিশ্বকাপে ভেন্যু বয়কটে একা নয় বাংলাদেশ, আগেও করেছে বড়রা
নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসির কাছে নিজেদের ম্যাচগুলোর ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন করেছে তারা এবং এখন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সাড়া প্রতীক্ষা করছে। তবে বিসিবিই প্রথম কোনো দল নয় যারা নির্দিষ্ট আয়োজক দেশে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; এর আগেও বিশ্ব ক্রিকেটের প্রভাবশালী দেশগুলো একই পথে হেঁটেছে।
এর আগে গত বছর মার্চে পাকিস্তানের মাটিতে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারত। বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভারত পাকিস্তানে যেতে চায়নি, ফলে ভারতের সবগুলো ম্যাচ দুবাইতে স্থানান্তর করতে হয়েছিল। এছাড়া ১৯৯৬ সালের একদিনের বিশ্বকাপে শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধ ও বোমা বিস্ফোরণের কারণে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে খেলতে রাজি হয়নি অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২০০৩ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় যৌথভাবে খেলা হলেও নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কারণে জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। এমনকি ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে, তবে খেললেও না খেললেও তারা পুরো অংশগ্রহণ ফি লাভ করেছিল। এই ইতিহাস ঘাঁটলেই বোঝা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান কোনোভাবেই ব্যতিক্রমী নয়।
সম্পর্কিত খবর
ইরানের জন্য বিশেষ ছাড়, ম্যাচের আগে বাড়তি ২৪ ঘণ্টা পাচ্ছে…
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি ক্রোয়েশিয়া ও পানামা, জয়ে মরিয়া দুই দল
দৃঢ় রক্ষণে ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা, শিরোনাম হাতছাড়া করল থ্রি…
মেসির অসমাপ্ত গল্প: ৩৯ বছর বয়সেও হ্যাটট্রিক, ২০২৬ বিশ্বকাপে চমক
মেসির জাদুতে মুগ্ধ রাইস, বললেন-অবিশ্বাস্য
জোড়া গোলে উজবেকিস্তানকে ধরাশায়, রোনালদোর ঘোষণা ‘আই এম ব্যাক’

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপে ভেন্যু বয়কটে একা নয় বাংলাদেশ, আগেও করেছে বড়রা
নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসির কাছে নিজেদের ম্যাচগুলোর ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন করেছে তারা এবং এখন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সাড়া প্রতীক্ষা করছে। তবে বিসিবিই প্রথম কোনো দল নয় যারা নির্দিষ্ট আয়োজক দেশে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; এর আগেও বিশ্ব ক্রিকেটের প্রভাবশালী দেশগুলো একই পথে হেঁটেছে।
এর আগে গত বছর মার্চে পাকিস্তানের মাটিতে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারত। বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভারত পাকিস্তানে যেতে চায়নি, ফলে ভারতের সবগুলো ম্যাচ দুবাইতে স্থানান্তর করতে হয়েছিল। এছাড়া ১৯৯৬ সালের একদিনের বিশ্বকাপে শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধ ও বোমা বিস্ফোরণের কারণে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে খেলতে রাজি হয়নি অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২০০৩ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় যৌথভাবে খেলা হলেও নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কারণে জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। এমনকি ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে, তবে খেললেও না খেললেও তারা পুরো অংশগ্রহণ ফি লাভ করেছিল। এই ইতিহাস ঘাঁটলেই বোঝা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান কোনোভাবেই ব্যতিক্রমী নয়।
সম্পর্কিত খবর
ইরানের জন্য বিশেষ ছাড়, ম্যাচের আগে বাড়তি ২৪…
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি ক্রোয়েশিয়া ও পানামা, জয়ে মরিয়া…
দৃঢ় রক্ষণে ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা, শিরোনাম হাতছাড়া…
মেসির অসমাপ্ত গল্প: ৩৯ বছর বয়সেও হ্যাটট্রিক, ২০২৬…
মেসির জাদুতে মুগ্ধ রাইস, বললেন-অবিশ্বাস্য
জোড়া গোলে উজবেকিস্তানকে ধরাশায়, রোনালদোর ঘোষণা ‘আই এম…