ঢাবির ১০৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ডাক
ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও অবদানের কথা স্মরণ করে এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং সব শিক্ষার্থী-শিক্ষককে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বদা নেতৃত্ব দিয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ সময়ের যথাযথ চাহিদার প্রতিফলন বলে তিনি মনে করেন।
তারেক রহমান বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাক্রম আধুনিকায়ন করা আবশ্যক। তিনি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি ও সাইবার নিরাপত্তার মতো আধুনিক বিষয়গুলো পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ছাড়া শিক্ষাকে সার্টিফিকেটমুখী না করে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক জ্ঞানের ওপর জোর দিতে বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাস্তবায়ন জরুরি। দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণায় মনোযোগ এবং প্রবাসী অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

