প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের ১০৫ বছর: প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার প্রদত্ত এক বিবৃতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অ্যালামনাইদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং প্রতিষ্ঠানটির গৌরবময় অবদানের কথা স্মরণ করেন।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯২১ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে দেশের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে তিনি মন্তব্য করেন।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং ন্যানোটেকনোলজির মতো আধুনিক বিষয়গুলো কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। শুধু সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে সফল হতে সাহায্য করবে।
শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। একইসাথে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টি এবং বিশ্বমানের সাথে তাল মিলিয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

