
সাড়ে তেরোশো বছর ধরে চলে আসছে গড়পাড়া ইমামবাড়ির মহররমের মিছিল
রাজধানীর অদূরে মানিকগঞ্জের গড়পাড়া ইমামবাড়িতে প্রায় সাড়ে তেরোশো বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী মহররমের তাজিয়া মিছিল ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ইমাম হোসেন (রা.)-এর কারবালার আত্মত্যাগের স্মরণে আয়োজিত এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে এক ধর্মীয় আবহ সৃষ্টি হয়। হুগলি ইমামবাড়ির ধাঁচে এখানে ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মহররমের চাঁদ ওঠার রাত থেকেই এই ইমামবাড়ি প্রাঙ্গণ শোকসংকুল হয়ে ওঠে। প্রায় একশত বছর ধরে সংরক্ষিত বিশাল দামামা বেজে ওঠে এবং শুরু হয় মিলাদ, ফাতেহা, নেয়াজ ও মার্সিয়া পাঠ। মহররমের ১ তারিখ থেকে প্রায় ৩০টি কাসেদ (জারি গানের দল) মানিকগঞ্জসহ টাঙ্গাইল, পাবনা, রাজশাহী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও নাটোরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে কারবালার ইতিহাস ও ইমামের ন্যায়-নিষ্ঠার কথা তুলে ধরতে। আশুরার দিন দুপুরের আগেই এই দলগুলো ইমামবাড়িতে ফিরে আসে।
আশুরার দিন জোহরের নামাজের পর বিকেল ৩টায় প্রধান শোক মিছিলটি বের হয়। ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। পবিত্র তাজিয়া, তাবুত, সিপার, সম্মানিত দুলদুল এবং লাল, সবুজ ও কালো নিশান নিয়ে এই বিশাল মিছিলটি মানিকগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে গিয়ে মাগরিবের নামাজের সময় উপস্থিত হয়।
সম্পর্কিত খবর
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগ চূড়ান্ত, শিগগিরই ঘোষণা
২৭তম বিসিএস: যোগদানের তারিখ ও বেতন নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
বিরোধীদের আন্দোলনের সমালোচনায় সংসদে কোরআনের আয়াত পড়ে শোনালেন এমপি মাহফুজুল্লাহ
দেশের ১১ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
১৭ বছর পর সত্যিকারের সংসদ পেল বাংলাদেশ: স্পিকার
ঢাকার খাল পুনরুদ্ধারে নৌবাহিনী, মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন

আরও পড়ুন

সাড়ে তেরোশো বছর ধরে চলে আসছে গড়পাড়া ইমামবাড়ির মহররমের মিছিল
রাজধানীর অদূরে মানিকগঞ্জের গড়পাড়া ইমামবাড়িতে প্রায় সাড়ে তেরোশো বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী মহররমের তাজিয়া মিছিল ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ইমাম হোসেন (রা.)-এর কারবালার আত্মত্যাগের স্মরণে আয়োজিত এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে এক ধর্মীয় আবহ সৃষ্টি হয়। হুগলি ইমামবাড়ির ধাঁচে এখানে ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মহররমের চাঁদ ওঠার রাত থেকেই এই ইমামবাড়ি প্রাঙ্গণ শোকসংকুল হয়ে ওঠে। প্রায় একশত বছর ধরে সংরক্ষিত বিশাল দামামা বেজে ওঠে এবং শুরু হয় মিলাদ, ফাতেহা, নেয়াজ ও মার্সিয়া পাঠ। মহররমের ১ তারিখ থেকে প্রায় ৩০টি কাসেদ (জারি গানের দল) মানিকগঞ্জসহ টাঙ্গাইল, পাবনা, রাজশাহী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও নাটোরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে কারবালার ইতিহাস ও ইমামের ন্যায়-নিষ্ঠার কথা তুলে ধরতে। আশুরার দিন দুপুরের আগেই এই দলগুলো ইমামবাড়িতে ফিরে আসে।
আশুরার দিন জোহরের নামাজের পর বিকেল ৩টায় প্রধান শোক মিছিলটি বের হয়। ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। পবিত্র তাজিয়া, তাবুত, সিপার, সম্মানিত দুলদুল এবং লাল, সবুজ ও কালো নিশান নিয়ে এই বিশাল মিছিলটি মানিকগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে গিয়ে মাগরিবের নামাজের সময় উপস্থিত হয়।
সম্পর্কিত খবর
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগ চূড়ান্ত, শিগগিরই ঘোষণা
২৭তম বিসিএস: যোগদানের তারিখ ও বেতন নির্ধারণে অর্থ…
বিরোধীদের আন্দোলনের সমালোচনায় সংসদে কোরআনের আয়াত পড়ে শোনালেন…
দেশের ১১ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর…
১৭ বছর পর সত্যিকারের সংসদ পেল বাংলাদেশ: স্পিকার
ঢাকার খাল পুনরুদ্ধারে নৌবাহিনী, মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন