আদানির বিদ্যুৎ কিছুটা বাড়লেও অর্ধেকে নেমেছে রামপালের উৎপাদন
ভারতের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ পড়া ইউনিট চালুর পর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে একই দিনে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদনে স্বস্তি মিলছে না। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে আদানি থেকে সরবরাহ বেড়ে ৮৪৬ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে।
গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছিল। এর মধ্যে গত বুধবার মধ্যরাতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে প্রতিষ্ঠানটির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এতে সরবরাহ আরও কমে যায় এবং দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়ে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি পিএলসির রোববার বিকেল ৩টার হালনাগাদ তথ্য বলছে, দুপুর ১টা থেকে আদানির সরবরাহ বেড়ে ৮৪৬ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। এর আগে বুধবারের পর থেকে এ সরবরাহ ছিল ৭৫০ মেগাওয়াটের কাছাকাছি।
আদানি সরবরাহ বাড়ানোর আগেই রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির উৎপাদনসহিতা অর্ধেকে নেমে আসে। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই কয়লাচালিত কেন্দ্র থেকে আগে উৎপাদন হচ্ছিল ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি, যা ইউনিট বন্ধের পর কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমেছে। তবে মাঝে কয়লা সংকটে উৎপাদন কমলেও এখন কেন্দ্রটিতে কয়লার মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, আদানি থেকে বিদ্যুৎ আসা শুরু হয়েছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রামপালের ইউনিট-২ বন্ধ রাখা হয়েছে। ইউনিটটি কখন পুনরায় চালু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউনিট বন্ধের পর কুল ডাউন করতে হয়। এরপর সম্ভবত ভারত থেকে দুজন প্রকৌশলী আসবেন। এ মুহূর্তে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না, দুদিন পর বলা সম্ভব হবে। এখন বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

