এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থিতার ভাগ্য এবার নির্বাচন কমিশনের হাতে। শিক্ষকরা ভোটের ময়দানে নামতে পারবেন কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন — এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রীর ব্যাখ্যা, নির্বাচনের বিধিমালা প্রণয়ন এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই এখন কমিশনই সংশ্লিষ্ট আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা বিশ্লেষণ করে ঠিক করবে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না।
ইউনিয়ন পরিষদ আইনের বরাত দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ আইনে আছে, তিনি (প্রার্থী) প্রজাতন্ত্রের বা পরিষদের বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে যদি অধিষ্ঠিত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এটা হচ্ছে নির্বাচনি আইন।’
এমপিও নীতিমালার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ব্যাপারে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কুল ও কলেজ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫-এর বিধি ১১.১৭-এর ক ও বিধি ১১.১৭-এর খ-তে বলা হয়েছে যে এই পদটি লাভজনক। মানে শিক্ষকদের পদটি লাভজনক। তাহলে আইনের সঙ্গে এখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালাটা কাছাকাছি মিলে যাচ্ছে।’
পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত কোনো শর্ত বা বাধ্যবাধকতা নেই। এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যেখানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থিতা নিয়ে চলমান অস্পষ্টতা দূর হবে কি না, তা এখন অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

