বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরাচারকে মেনে নেয়নি, গণতন্ত্রের পক্ষে তারা: স্পিকার
বাংলাদেশের মানুষ কখনো স্বৈরাচারকে প্রশ্রয় দেয়নি, তারা সবসময় গণতন্ত্রের পথে হেঁটেছে এবং এর জন্য জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা অর্জিত হলেও গণতন্ত্র সেদিন প্রতিষ্ঠা পায়নি জানিয়ে স্পিকার বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে এদেশে গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তিনি ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করে জানান, এসব নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালে স্বৈরাচারের পতন ঘটে।
স্পিকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ইতিহাসের অন্যতম অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট বলে উল্লেখ করেন। এই সংসদ জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা পালন সম্ভব হবে। বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা, আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা মামলা ও সংসদীয় কূটনীতি নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি, সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

