পে-স্কেল বাস্তবায়নে জটিলতা অব্যাহত, গেজেট নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
নবম ওয়েজ বোর্ড বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারের সচিব কমিটি। আর্থিক সংকুলান, মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি এবং প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে। ফলে প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি স্থগিত থাকায় দেশের ২১ লাখ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। আগস্ট নাকি অক্টোবর মাসে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হবে, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের কারণে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বর্তমান বেতন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কমিশনের সুপারিশের অর্ধেক কার্যকর করলেও তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে না। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে বর্তমান বেতন কমে যাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই আপত্তির মুখে সরকার তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা করলেও সেটি আলোর মুখ দেখেনি। এখন আবার তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেখানে প্রথম ধাপে শুধু মূল বেতন বাড়ানো হবে এবং পরে ভাতা সংযোজন করা হবে।
গত ১৫ জুলাই সচিব কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বেতন বাড়ালে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এমন সমালোচনা উপেক্ষা করা উচিত, কারণ দ্রব্যমূল্যের বাজারে সাধারণ কর্মচারীদের সঞ্চয় করার সুযোগ নেই বললেই চলে। সচিব কমিটি সরকারের কাছে তাদের সুপারিশ জমা দেবে, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

