
চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্যোগে খাল খনন, কমবে বিমানবন্দরের জলাবদ্ধতা
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণে খাল খননের কাজ হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে বিমানবন্দর সংলগ্ন ১২টি খাল পুনঃখনন শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে নগরীর বৃহৎ অংশের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে খালগুলোর মোহনায় কর্ণফুলী নদীতেও ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, সেনাবাহিনীর কাজের জন্য ১২ নম্বর খালের বেশিরভাগ অংশ বন্ধ ছিল, যার কারণে পানি চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি সমাধানে বন্দর কর্তৃপক্ষ ওই খালের পাশে একটি বাইপাস বা ডাইভারশন তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হয়েছে। এটি মূলত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) সহায়তা করার অংশ হিসেবে করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া নগরীর রাজাখালী, চাক্তাই, ফিসারি খাল ও মহেশখালসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খালের মুখে জরুরি ভিত্তিতে গ্রাব ও কাটার সাকশন ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং চলছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত কর্ণফুলী নদীতে পতিত হচ্ছে, যা শহরের ভেতরের জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বন্দর সচিব। বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের তদারকি করছেন।
সম্পর্কিত খবর
শেরেবাংলা নগর ও মুগদায় অভিযানে গ্রেফতার ২৪, আদালতে প্রেরণ
মিরপুরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন ডিএনসিসি প্রশাসক
তরুণদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বৈরী আবহাওয়ায় আটকে পড়া সেন্টমার্টিনের ১০০ পরিবারের পাশে কোস্টগার্ড
মিরপুর-১০ মেট্রোরেল এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, কঠোর হুঁশিয়ারি
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে তরুণ প্রজন্মকে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রপতির…

আরও পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্যোগে খাল খনন, কমবে বিমানবন্দরের জলাবদ্ধতা
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণে খাল খননের কাজ হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে বিমানবন্দর সংলগ্ন ১২টি খাল পুনঃখনন শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে নগরীর বৃহৎ অংশের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে খালগুলোর মোহনায় কর্ণফুলী নদীতেও ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, সেনাবাহিনীর কাজের জন্য ১২ নম্বর খালের বেশিরভাগ অংশ বন্ধ ছিল, যার কারণে পানি চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি সমাধানে বন্দর কর্তৃপক্ষ ওই খালের পাশে একটি বাইপাস বা ডাইভারশন তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হয়েছে। এটি মূলত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) সহায়তা করার অংশ হিসেবে করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া নগরীর রাজাখালী, চাক্তাই, ফিসারি খাল ও মহেশখালসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খালের মুখে জরুরি ভিত্তিতে গ্রাব ও কাটার সাকশন ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং চলছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত কর্ণফুলী নদীতে পতিত হচ্ছে, যা শহরের ভেতরের জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বন্দর সচিব। বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের তদারকি করছেন।
সম্পর্কিত খবর
শেরেবাংলা নগর ও মুগদায় অভিযানে গ্রেফতার ২৪, আদালতে…
মিরপুরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন ডিএনসিসি প্রশাসক
তরুণদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী তারেক…
বৈরী আবহাওয়ায় আটকে পড়া সেন্টমার্টিনের ১০০ পরিবারের পাশে…
মিরপুর-১০ মেট্রোরেল এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, কঠোর হুঁশিয়ারি
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে তরুণ প্রজন্মকে সম্পদ হিসেবে গড়ে…