ঢাবির ১০৫ বছর: প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও শিক্ষা আধুনিকীকরণের ডাক

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০১ জুলাই ২০২৬ ৩:৪৯ এএম
ঢাবির ১০৫ বছর: প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও শিক্ষা আধুনিকীকরণের ডাক

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার ৩০ জুন প্রদত্ত এক বিবৃতিতে তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত এই শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাবেক-বর্তমান সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দেশের এই ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয় ১০৫ বছর ধরে গৌরবের সাথে তার যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

১৯২১ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা বিস্তার ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সর্বদা অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য অনেক সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছে, যার ফলে আমরা আজ গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাক্রম আধুনিকীকরণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো আধুনিক বিষয়গুলো শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে।

বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে টিকে থাকতে হলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করতে হলে গবেষণায় আরও মনোযোগ দিতে হবে।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...