ঢাবির ১০৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, কালের দাবি আধুনিকায়ন
উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের ঐতিহ্যবাহী পথচলা আমাদের জন্য গৌরবের। এ উপলক্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাবেক-বর্তমান সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান ইতিমধ্যেই ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে। এছাড়াও ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগ দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ একেবারেই সময়োপযোগী।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকীকরণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং ন্যানোটেকনোলজির মতো আধুনিক বিষয়গুলো শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শুধু সার্টিফিকেট নির্ভর নয়, বরং কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। তিনি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বমানে উন্নীত হওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

