
সদরপুরে লাইসেন্সহীন গো-খাদ্য কারখানা, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে গড়ে উঠেছে একাধিক গো-খাদ্যের কারখানা। এসব কারখানায় কোনো মান নির্ণয় ছাড়াই নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করে গরু ও মহিষের খাবার তৈরি করা হচ্ছে, যা পশুপালনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল থেকে এসব অবৈধ কারখানা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও প্রত্যন্ত এলাকায় এসব কারখানার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন) এর অনুমোদন না থাকলেও প্রভাবশালী একটি মহল এসব কারখানা পরিচালনা করে আসছে। এই খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মজুদ করা হচ্ছে গবাদি পশুর খাবার।
পশু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিম্নমানের ও ভেজাল গো-খাদ্য খাওয়ার ফলে গরু-মহিষের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং দুগ্ধ উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পশুপালন খাতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমতাবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ কৃষক ও খামারিরা।
সম্পর্কিত খবর
কুয়াকাটায় এক ট্রলারে ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি ৪৮ লাখ ৫০…
অ্যান্টিভেনাম না দেওয়ার অভিযোগ, গলাচিপায় সাপে কাটা বিএনপি নেতার মৃত্যু
গলাচিপায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
‘আমার নাম ব্যবহার করে অনিয়মের সুযোগ নেই’— ক্ষতিগ্রস্তদের মামলা করার…
গলাচিপায় সংরক্ষিত বনের খালে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার, হুমকির মুখে…
পটুয়াখালী শহরের পতিতালয় থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার

সদরপুরে লাইসেন্সহীন গো-খাদ্য কারখানা, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে গড়ে উঠেছে একাধিক গো-খাদ্যের কারখানা। এসব কারখানায় কোনো মান নির্ণয় ছাড়াই নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করে গরু ও মহিষের খাবার তৈরি করা হচ্ছে, যা পশুপালনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল থেকে এসব অবৈধ কারখানা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও প্রত্যন্ত এলাকায় এসব কারখানার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন) এর অনুমোদন না থাকলেও প্রভাবশালী একটি মহল এসব কারখানা পরিচালনা করে আসছে। এই খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মজুদ করা হচ্ছে গবাদি পশুর খাবার।
পশু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিম্নমানের ও ভেজাল গো-খাদ্য খাওয়ার ফলে গরু-মহিষের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং দুগ্ধ উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পশুপালন খাতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমতাবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ কৃষক ও খামারিরা।
সম্পর্কিত খবর
কুয়াকাটায় এক ট্রলারে ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি ৪৮…
অ্যান্টিভেনাম না দেওয়ার অভিযোগ, গলাচিপায় সাপে কাটা বিএনপি…
গলাচিপায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
‘আমার নাম ব্যবহার করে অনিয়মের সুযোগ নেই’— ক্ষতিগ্রস্তদের…
গলাচিপায় সংরক্ষিত বনের খালে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার,…
পটুয়াখালী শহরের পতিতালয় থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার
