
সদরপুরে লাইসেন্সহীন গো-খাদ্য কারখানা, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে গড়ে উঠেছে একাধিক গো-খাদ্যের কারখানা। এসব কারখানায় কোনো মান নির্ণয় ছাড়াই নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করে গরু ও মহিষের খাবার তৈরি করা হচ্ছে, যা পশুপালনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল থেকে এসব অবৈধ কারখানা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও প্রত্যন্ত এলাকায় এসব কারখানার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন) এর অনুমোদন না থাকলেও প্রভাবশালী একটি মহল এসব কারখানা পরিচালনা করে আসছে। এই খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মজুদ করা হচ্ছে গবাদি পশুর খাবার।
পশু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিম্নমানের ও ভেজাল গো-খাদ্য খাওয়ার ফলে গরু-মহিষের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং দুগ্ধ উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পশুপালন খাতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমতাবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ কৃষক ও খামারিরা।
সম্পর্কিত খবর
গলাচিপায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত
রাশিয়ার গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরামে অংশ নিচ্ছেন রাশেদুল হক রুমি
আল-হিকমাহ ট্রাস্টের উদ্যোগে মরহুম মোঃ রফিকুল ইসলামের স্মরণে ফ্রি চক্ষু…
বিদ্যালয় আছে, পড়াশোনার আগ্রহ আছে—শুধু নেই নিরাপদে সেখানে পৌঁছানোর পথ
বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ
গলাচিপায় সার ও কীটনাশকের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ২…

আরও পড়ুন

সদরপুরে লাইসেন্সহীন গো-খাদ্য কারখানা, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে গড়ে উঠেছে একাধিক গো-খাদ্যের কারখানা। এসব কারখানায় কোনো মান নির্ণয় ছাড়াই নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করে গরু ও মহিষের খাবার তৈরি করা হচ্ছে, যা পশুপালনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল থেকে এসব অবৈধ কারখানা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও প্রত্যন্ত এলাকায় এসব কারখানার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন) এর অনুমোদন না থাকলেও প্রভাবশালী একটি মহল এসব কারখানা পরিচালনা করে আসছে। এই খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মজুদ করা হচ্ছে গবাদি পশুর খাবার।
পশু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিম্নমানের ও ভেজাল গো-খাদ্য খাওয়ার ফলে গরু-মহিষের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং দুগ্ধ উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পশুপালন খাতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমতাবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ কৃষক ও খামারিরা।
সম্পর্কিত খবর
গলাচিপায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত
রাশিয়ার গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরামে অংশ নিচ্ছেন রাশেদুল হক…
আল-হিকমাহ ট্রাস্টের উদ্যোগে মরহুম মোঃ রফিকুল ইসলামের স্মরণে…
বিদ্যালয় আছে, পড়াশোনার আগ্রহ আছে—শুধু নেই নিরাপদে সেখানে…
বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ
গলাচিপায় সার ও কীটনাশকের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,…