
বিডিআর হত্যার বিচার না হলে বিএনপির ব্যর্থতা হবে: জামায়াত আমীর
পিলখানা ট্র্যাজেডির আসল বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে তা বিএনপির জন্য চরম ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমীর বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল, তা ছিল দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তিনি দাবি করেন, নিহত সেনা কর্মকর্তাদের আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল এবং ওই ঘটনায় তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী মহলের যোসাজশ ছিল। তিনি এটিকে কোনো আকস্মিক ঘটনা বলে মনে করেন না।
এর আগে সকালে বনানী সেনানিবাসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই ট্র্যাজেডিতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন।
সম্পর্কিত খবর
এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতারে প্রধান অতিথি হচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চাঁদপুরে বাজার ইজারা নিয়ে বিএনপির দ্বন্দ্ব, আহত ৫
মেয়র পদে লড়ছেন ইশরাক হোসেন, পুরান ঢাকায় আলোচনার ঝড়
যানজট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ, শওকতের ১৮০ দিনের পরিকল্পনা
সরকারি বেতনেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে, দালাল ও ঘুস বরদাশত করা…
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের

আরও পড়ুন

বিডিআর হত্যার বিচার না হলে বিএনপির ব্যর্থতা হবে: জামায়াত আমীর
পিলখানা ট্র্যাজেডির আসল বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে তা বিএনপির জন্য চরম ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমীর বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল, তা ছিল দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তিনি দাবি করেন, নিহত সেনা কর্মকর্তাদের আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল এবং ওই ঘটনায় তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী মহলের যোসাজশ ছিল। তিনি এটিকে কোনো আকস্মিক ঘটনা বলে মনে করেন না।
এর আগে সকালে বনানী সেনানিবাসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই ট্র্যাজেডিতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন।
সম্পর্কিত খবর
এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতারে প্রধান অতিথি হচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চাঁদপুরে বাজার ইজারা নিয়ে বিএনপির দ্বন্দ্ব, আহত ৫
মেয়র পদে লড়ছেন ইশরাক হোসেন, পুরান ঢাকায় আলোচনার…
যানজট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ, শওকতের ১৮০ দিনের…
সরকারি বেতনেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে, দালাল ও ঘুস…
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের