পর্যটনে অবদানের স্বীকৃতি: পুরস্কার পেল ১৬ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
দেশের পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার-২০২৬ লাভ করেছেন ১৬ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের ভূমিকা এবং পর্যটন সংরক্ষণে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের (বিটিবি) ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড যাচাই-বাছাই শেষে ১৬টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীর নাম চূড়ান্ত করে।
বিজয়ীদের তালিকায় বর্ষসেরা পাঁচ তারকা হোটেল হিসেবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা, চার তারকা ক্যাটাগরিতে হোটেল আগ্রাবাদ এবং তিন তারকা ক্যাটাগরিতে হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স বাই ইউএইচটিপিএলসি স্থান পেয়েছে। বর্ষসেরা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর হয়েছে দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেড, ডোমেস্টিক ট্যুর অপারেটর হিসেবে সম্মানিত হয়েছে শেয়ারট্রিপ লিমিটেড। এছাড়া বিনোদন পার্ক ক্যাটাগরিতে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স, হোমস্টে ক্যাটাগরিতে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস এবং ট্যুরিস্ট ভেসেল হিসেবে এম ভি মালিশা পুরস্কৃত হয়।
তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চার, নারী উদ্যোক্তা হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন নুরানী শারমিন আফরোজ। পর্যটন প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোগে স্বীকৃতি পেয়েছে বিডি টিকিটস, মাইস উদ্যোগে সেভেন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগের স্বীকৃতি পেয়েছে শাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্টস ফর ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশন। ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়েছেন আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন), বর্ষসেরা ট্যুর গাইড হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন মো. সারোয়ার জাহান (মিঠু) এবং বর্ষসেরা পর্যটন সাংবাদিকতায় পুরস্কার পেয়েছেন নাঈম আবির।
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন) বলেন, প্রথম রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। পর্যটন খাতে কাজ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানদের এভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে এ খাতে নতুন প্রাণশক্তি আসবে এবং বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

