২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: তারেক রহমান
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, দিনটি বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। ইআরএল-এর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে আইডিবির অর্থায়ন চুক্তি নিছক লেনদেন নয়; বরং এর মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে ব্যাংকটি বাংলাদেশের প্রতি আস্থা রেখেছে। চুক্তি সম্পাদনে ভূমিকা রাখা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, ইআরএল এবং ঢাকায় আইডিবির আঞ্চলিক হাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমেই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
আইডিবির চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ সুলায়মান আল জাসেরের ঢাকা সফরকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তার ও তার পদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয়। দ্বিতীয়বারের মতো আইডিবির চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় ড. আল জাসেরকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে তার দূরদর্শী নেতৃত্বে ব্যাংকটি সদস্য দেশগুলো ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে নানা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। দ্বিতীয় মেয়াদে আরও বড় অর্জনের আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আইডিবির সঙ্গে পাশাপাশি কাজ করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
কয়েক দশক ধরে আইডিবি বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়ার গর্ব বাংলাদেশের বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষায়, এই সদস্যপদ কেবল অর্থায়নের সম্পর্ক নয়; এর মূলে রয়েছে আস্থা, সংহতি এবং মুসলিম উম্মাহর অভিন্ন লক্ষ্য। দেশে নতুন সরকারের হাতে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রপ্তানি, বিনিয়োগ ও আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর ভরসা করে এই দশকে অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করাই আমাদের লক্ষ্য। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার এই লক্ষ্য কোনো স্লোগান নয়, বাস্তবায়নযোগ্য পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা।

