
গ্যাস সংকটে প্যাসিফিক জিন্সের ৯ কারখানায় ৩ দিনের ছুটি
দেশের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের (সিইপিজেড) তাদের নয়টি কারখানায় তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। চরম গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হওয়ায় বুধবার (৫ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিইপিজেড এলাকায় চরম গ্যাস সংকট ও বিদ্যুতের অস্থিরতার কারণে কারখানার সেলাই, ওয়াশিং সহ সব বিভাগের উৎপাদন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব না হওয়ায় ৫ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত কারখানার সব ধরনের উৎপাদন ও অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষ মানব সম্পদ এবং প্রশাসন বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। শিল্প খাতের এমন জ্বালানি সংকট দেশের রপ্তানি আয় ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
সম্পর্কিত খবর
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নির্বাচিত সংসদের বিকল্প নেই: শাহদাত সেলিম
রোমে আটকে থাকা বিমানের জরুরি মেরামতে প্রকৌশলী দল পাঠাল বিমান
ড্যাব চিকিৎসকদের মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডা. জুবাইদা
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ডাক্তারদের সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবার নতুন অঙ্গীকার
সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের জীবিকার উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আরও পড়ুন

গ্যাস সংকটে প্যাসিফিক জিন্সের ৯ কারখানায় ৩ দিনের ছুটি
দেশের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের (সিইপিজেড) তাদের নয়টি কারখানায় তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। চরম গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হওয়ায় বুধবার (৫ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিইপিজেড এলাকায় চরম গ্যাস সংকট ও বিদ্যুতের অস্থিরতার কারণে কারখানার সেলাই, ওয়াশিং সহ সব বিভাগের উৎপাদন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব না হওয়ায় ৫ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত কারখানার সব ধরনের উৎপাদন ও অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষ মানব সম্পদ এবং প্রশাসন বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। শিল্প খাতের এমন জ্বালানি সংকট দেশের রপ্তানি আয় ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
সম্পর্কিত খবর
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নির্বাচিত সংসদের বিকল্প নেই: শাহদাত…
রোমে আটকে থাকা বিমানের জরুরি মেরামতে প্রকৌশলী দল…
ড্যাব চিকিৎসকদের মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডা. জুবাইদা
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ডাক্তারদের সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবার নতুন অঙ্গীকার
সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক…
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের জীবিকার উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী