রপ্তানি লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন, চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড: জাহেদ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড প্রদান, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্প গড়ে তোলার মতো খাতগুলোতে বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এছাড়া কক্সবাজারকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের বিষয়টিও অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন তিনি।
কৃষকদের কল্যাণে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৮ বিভাগের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় ২০ হাজার ৮৩২ জন কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এরই মধ্যে ৫০৩টি উপজেলার কৃষি ব্লকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে, যেখানে ২৬ জুলাই পর্যন্ত ৬ লাখ ৭২ হাজার কৃষকের তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। পরিবার ভিত্তিক কার্ডের পর এই কৃষক কার্ডকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সরকার। এর মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি আর্থিক সহায়তা পাবেন।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন এবং সেবা খাত থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশা করছে সরকার। উভয় খাতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এছাড়া, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে কোনো জামানতের প্রয়োজন হবে না এবং ৪ বছর সময় ও ৬ মাস রেয়াতকালসহ এ ঋণ পরিশোধ করা যাবে। মোট ঋণের অন্তত ২৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ডা. জাহেদ। কৃষি ও শিল্প খাতে প্রণোদনা ও সহজ শর্তের ঋণের মাধ্যমে নতুন যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

