
তেলের দাম বাড়তে থাকায় যেসব উপায়ে সাশ্রয় করবেন জ্বালানি

মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট সংঘাতের প্রভাবে সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব এখন বাংলাদেশেও স্পষ্ট। অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের কারণে দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহন মালিকরা চরম আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। তবে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে কিছু সচেতনতা ও কৌশল অবলম্বন করলে এই খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশের প্রতি যত্নশীল হলে জ্বালানি সাশ্রয় হয়। নিয়মিত সার্ভিসিং নিশ্চিত করা, টায়ারের বাতাসের ঠিকমতো চাপ রাখা এবং গাড়িতে অপ্রয়োজনীয় ওজন বহন না করা জ্বালানি দক্ষতা বাড়ায়। এছাড়াও হঠাৎ ব্রেক বা গতি বাড়ানো এড়িয়ে মসৃণভাবে গাড়ি চালালে এবং ট্রাফিক সিগন্যালে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার সময় ইঞ্জিন বন্ধ রাখলে তেলের খরচ কমে আসে। এসির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারও জ্বালানি অপচয় বাড়ায়।
ছোট দূরত্বে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহারের অভ্যাস এবং যানজট এড়িয়ে চলার পরিকল্পনা জ্বালানি সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে। একই পথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কারপুলিং বা শেয়ার রাইডের ব্যবস্থা করলে প্রতি ব্যক্তির খরচ অনেকাংশে কমে যায়। এই সব পদ্ধতি মেনে চললে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানির ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে।
সম্পর্কিত খবর
কালুখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উৎযাপন
সুস্থ হৃদয়ের জন্য খেলাধুলা: মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার
মিরপুরে হার্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার: খেলাধুলায় সুস্থ হৃদয়
সুস্থ হার্টের জন্য খেলাধুলা, মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার
হৃদরোগ প্রতিরোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন
সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভিশাপ এড়ানোর আহ্বান বদিউল আলমের

আরও পড়ুন

তেলের দাম বাড়তে থাকায় যেসব উপায়ে সাশ্রয় করবেন জ্বালানি

মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট সংঘাতের প্রভাবে সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব এখন বাংলাদেশেও স্পষ্ট। অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের কারণে দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যানবাহন মালিকরা চরম আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। তবে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে কিছু সচেতনতা ও কৌশল অবলম্বন করলে এই খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশের প্রতি যত্নশীল হলে জ্বালানি সাশ্রয় হয়। নিয়মিত সার্ভিসিং নিশ্চিত করা, টায়ারের বাতাসের ঠিকমতো চাপ রাখা এবং গাড়িতে অপ্রয়োজনীয় ওজন বহন না করা জ্বালানি দক্ষতা বাড়ায়। এছাড়াও হঠাৎ ব্রেক বা গতি বাড়ানো এড়িয়ে মসৃণভাবে গাড়ি চালালে এবং ট্রাফিক সিগন্যালে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার সময় ইঞ্জিন বন্ধ রাখলে তেলের খরচ কমে আসে। এসির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারও জ্বালানি অপচয় বাড়ায়।
ছোট দূরত্বে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহারের অভ্যাস এবং যানজট এড়িয়ে চলার পরিকল্পনা জ্বালানি সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে। একই পথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কারপুলিং বা শেয়ার রাইডের ব্যবস্থা করলে প্রতি ব্যক্তির খরচ অনেকাংশে কমে যায়। এই সব পদ্ধতি মেনে চললে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানির ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে।
সম্পর্কিত খবর
কালুখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ…