
ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসেই ১১ ঘণ্টা কাজ করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরেই ব্যতিক্রমী উদ্যম দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছুটির পরপরই প্রথম কার্যদিবসে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে টানা ১১ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছেন।
সোমবার সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই তিনি এই কাজ করেন। এ সময় তিনি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও তিনি কাজ করেন।
এমন দীর্ঘ সময় ধরে কর্মব্যস্ত থাকার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আবারও তার নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। ছুটির আমেজ কাটিয়ে জনকল্যাণে কাজ করার এই মানসিকতা সরকারের অন্যান্য স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে (ILT20) আজ ছিল বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন। একই দিনে পৃথক দুই ম্যাচে মাঠ মাতালেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। শুধু বল হাতে নয় ঈদের ছুটি প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সম্পর্কিত খবর
দেশে অস্থিরতা বরদাস্ত করা হবে না: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হিরোশিমার ক্ষত শুকায়নি, মানবতার ওপর হামলা অব্যাহত
হাটহাজারীতে শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
ঢাকায় বসছে বিশ্বনেতাদের সমাবেশ, ৩ অক্টোবর শুরু বে অব বেঙ্গল
বাকিডিরা কোটি কোটি, এখনো জিন্দা: স্যারদের উদ্দেশ্যে ফারুকীর বার্তা
সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকারের উদ্যোগ

আরও পড়ুন

ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসেই ১১ ঘণ্টা কাজ করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরেই ব্যতিক্রমী উদ্যম দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছুটির পরপরই প্রথম কার্যদিবসে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে টানা ১১ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছেন।
সোমবার সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই তিনি এই কাজ করেন। এ সময় তিনি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও তিনি কাজ করেন।
এমন দীর্ঘ সময় ধরে কর্মব্যস্ত থাকার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আবারও তার নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। ছুটির আমেজ কাটিয়ে জনকল্যাণে কাজ করার এই মানসিকতা সরকারের অন্যান্য স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সম্পর্কিত খবর
দেশে অস্থিরতা বরদাস্ত করা হবে না: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী…
হিরোশিমার ক্ষত শুকায়নি, মানবতার ওপর হামলা অব্যাহত
হাটহাজারীতে শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রী তারেক…
ঢাকায় বসছে বিশ্বনেতাদের সমাবেশ, ৩ অক্টোবর শুরু বে…
বাকিডিরা কোটি কোটি, এখনো জিন্দা: স্যারদের উদ্দেশ্যে ফারুকীর…
সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকারের…