নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পেট্রোল পাম্প, পুলিশি সহায়তা চাইল মালিকরা
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকা এবং ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকায় সৃষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে ফিলিং স্টেশন চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন পেট্রোল পাম্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠনের নেতা। সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-সংঘাতের কারণে ইরানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সংকটের প্রভাবে দেশের ডিপোগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের সংকট দেখা দিলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষের দীর্ঘ লাইন ও উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে স্টাফদের ওপর হামলা ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমন পরিস্থিতিতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে পাম্প চালু রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের নির্দেশের অপেক্ষা না করে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারাদেশের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছে এই বার্তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, জ্বালানি তেল বণ্টন ও পরিবহন খরচ নিয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকেও একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, বাঘাবাড়ি ডিপোসহ অন্যান্য ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ ট্যাংক লরির ধারণক্ষমতার সঙ্গে মিলছে না। লরি প্রতি চেম্বারে ৪ হাজার ৫০০ লিটারের বদলে ২ থেকে ৩ হাজার লিটার দেওয়া হচ্ছে, যা পরিবহন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং মালিকদের লোকসানের মুখে ফেলছে। এতে তেল কালোবাজারে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

