
ইরানে হামলার জবাবে ইসরাইল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিজবুল্লাহর
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির মহাসচিব নাইম কাসেম এক বিবৃতিতে জানান, তারা কোনোভাবেই সম্মান ও প্রতিরোধের পথ থেকে সরে আসবে না। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর হামলাকে ‘অপরাধের সর্বোচ্চ’ বলে অভিহিত করেছেন।
নাইম কাসেম বলেন, ‘বিধাতার নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর ভরসা করে আমরা এই আগ্রাসনের মোকাবিলায় আমাদের দায়িত্ব পালন করব।’ হিজবুল্লাহ লেবাননের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন, যার হাতে দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সহায়তায় হিজবুল্লাহ গঠিত হয়েছিল।
১৯৯২ সাল থেকে লেবাননের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে হিজবুল্লাহ। এরপর থেকে তারা লেবাননের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতেও এই সংগঠনের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানে হামলার জবাবে ইসরাইল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিজবুল্লাহর
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির মহাসচিব নাইম কাসেম এক বিবৃতিতে জানান, তারা কোনোভাবেই সম্মান ও প্রতিরোধের পথ থেকে সরে আসবে না। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর হামলাকে ‘অপরাধের সর্বোচ্চ’ বলে অভিহিত করেছেন।
নাইম কাসেম বলেন, ‘বিধাতার নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর ভরসা করে আমরা এই আগ্রাসনের মোকাবিলায় আমাদের দায়িত্ব পালন করব।’ হিজবুল্লাহ লেবাননের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন, যার হাতে দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সহায়তায় হিজবুল্লাহ গঠিত হয়েছিল।
১৯৯২ সাল থেকে লেবাননের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে হিজবুল্লাহ। এরপর থেকে তারা লেবাননের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতেও এই সংগঠনের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…