
প্রকৃত ক্ষমতার মালিক মহান আল্লাহ, মানুষের শাসন পরীক্ষাস্বরূপ
সমগ্র বিশ্বজগতের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব ও সার্বভৌমত্বের একমাত্র অধিকারী হলেন মহান আল্লাহ তাআলা। পার্থিব জীবনে মানুষ যে শাসন ব্যবস্থা বা ক্ষমতার অংশীদার হয়, তা কোনো চিরস্থায়ী মালিকানা নয়। বরং এটি স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের ওপর অর্পিত একটি সাময়িক দায়িত্ব এবং তার আনুগত্যের পরীক্ষা মাত্র।
পবিত্র কোরআনের সুরা আলে ইমরানের ২৬ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, রাজত্ব একমাত্র আল্লাহরই মালিকানা, তিনি ইচ্ছে করলে যাকে খুশি ক্ষমতা দান করেন এবং ইচ্ছে করলে তা কেড়ে নেন। সুরা মায়েদা (১২০) এবং সুরা আনআম (১৬৫)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, আসমান-জমিন সবকিছুর ওপর তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে। মানুষের ক্ষমতা এই বিশাল সৃষ্টির তুলনায় ক্ষণস্থায়ী এবং নগণ্য।
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, ক্ষমতা ভোগের বস্তু নয় বরং গুরুভার দায়িত্ব। যারা এই ক্ষমতার অপব্যবহার করে জুলুম-নির্যাতন চালায়, সুরা ইবরাহিমের ৪২-৪৩ আয়াতে তাদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা রয়েছে। আল্লাহ তাদের বিচারে বিলম্ব করলেও তাদের বিষয়ে উদাসীন নন। সহিহ মুসলিমের এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ন্যায়পরায়ণ শাসকরা আখেরাতে মহান আল্লাহর নূরের মিম্বরে সম্মানিত হবেন।
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ বনভোজন
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির মেলবন্ধন
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু

প্রকৃত ক্ষমতার মালিক মহান আল্লাহ, মানুষের শাসন পরীক্ষাস্বরূপ
সমগ্র বিশ্বজগতের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব ও সার্বভৌমত্বের একমাত্র অধিকারী হলেন মহান আল্লাহ তাআলা। পার্থিব জীবনে মানুষ যে শাসন ব্যবস্থা বা ক্ষমতার অংশীদার হয়, তা কোনো চিরস্থায়ী মালিকানা নয়। বরং এটি স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের ওপর অর্পিত একটি সাময়িক দায়িত্ব এবং তার আনুগত্যের পরীক্ষা মাত্র।
পবিত্র কোরআনের সুরা আলে ইমরানের ২৬ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, রাজত্ব একমাত্র আল্লাহরই মালিকানা, তিনি ইচ্ছে করলে যাকে খুশি ক্ষমতা দান করেন এবং ইচ্ছে করলে তা কেড়ে নেন। সুরা মায়েদা (১২০) এবং সুরা আনআম (১৬৫)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, আসমান-জমিন সবকিছুর ওপর তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে। মানুষের ক্ষমতা এই বিশাল সৃষ্টির তুলনায় ক্ষণস্থায়ী এবং নগণ্য।
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, ক্ষমতা ভোগের বস্তু নয় বরং গুরুভার দায়িত্ব। যারা এই ক্ষমতার অপব্যবহার করে জুলুম-নির্যাতন চালায়, সুরা ইবরাহিমের ৪২-৪৩ আয়াতে তাদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা রয়েছে। আল্লাহ তাদের বিচারে বিলম্ব করলেও তাদের বিষয়ে উদাসীন নন। সহিহ মুসলিমের এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ন্যায়পরায়ণ শাসকরা আখেরাতে মহান আল্লাহর নূরের মিম্বরে সম্মানিত হবেন।
সম্পর্কিত খবর
নামাজের মধ্যে থুতু বা কফ জমলে যা করবেন
পরিবার থেকে দূরে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আস-সুন্নাহর ঈদ…
চীনে নববর্ষের আমেজেই শুরু রমজান, তৈরি হচ্ছে সম্প্রীতির…
বিশ্বজুড়ে দুইশ’ কোটি মানুষের রোজা, ইফতারে সৌদির ঐতিহ্য
রমজানে ইবাদত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আস-সুন্নাহর গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার
ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু
