
বাঁশখালী-সাতকানিয়ায় বন্যার ক্ষত: ১৫৮ কিমি সড়ক ও ৩৩ ব্রিজ ধ্বংস
চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়ায় বন্যার পানি নেমে গেলেও মানুষের দুর্ভোগের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে এলজিইডির আওতাধীন এই দুই উপজেলার প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং ৩৩টি ব্রিজ-কালভার্ট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কের পিচ উঠে যাওয়া ও বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) হিসাব মতে, বাঁশখালী উপজেলায় ৬০টি সড়কের ১১০ দশমিক ৭০ কিলোমিটার অংশ এবং ২৫টি কালভার্ট ও দুটি ব্রিজ নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে সাতকানিয়ায় ৬১টি সড়কের প্রায় ৪৭ কিলোমিটার, ছয়টি কালভার্ট ও একটি পানি নিষ্কাশন কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অবকাঠামো মেরামত করতে বাঁশখালীতে প্রায় ১৫ কোটি ৮ লাখ এবং সাতকানিয়ায় প্রায় ৩০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাঁশখালীর সরল, কাথরিয়া, শেখেরখীল, শীলকূপ, জলদী, কালীপুর ও সাধনপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপজেলার কোনো সড়কই এই বন্যার ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রেহাই পায়নি। ফলে গ্রামের মানুষ চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সম্পর্কিত খবর
নয় অঞ্চলে ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস, জারি সতর্ক সংকেত
সংসদে মন্ত্রিসভার নতুন দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমান
চট্টগ্রামে হাসপাতালগুলোতে অনিয়ম, পার্কিং ও নিরাপত্তায় চউকের নোটিশ
ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে তারেক রহমান
সাতকানিয়ায় মাকে মারধর: মাদকাসক্ত ছেলের এক বছরের জেল
চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে অগ্নি-নিরাপত্তা ও পার্কিংয়ের ব্যাপক অব্যবস্থা, নির্দেশ চউকের

আরও পড়ুন

বাঁশখালী-সাতকানিয়ায় বন্যার ক্ষত: ১৫৮ কিমি সড়ক ও ৩৩ ব্রিজ ধ্বংস
চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়ায় বন্যার পানি নেমে গেলেও মানুষের দুর্ভোগের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে এলজিইডির আওতাধীন এই দুই উপজেলার প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং ৩৩টি ব্রিজ-কালভার্ট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কের পিচ উঠে যাওয়া ও বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) হিসাব মতে, বাঁশখালী উপজেলায় ৬০টি সড়কের ১১০ দশমিক ৭০ কিলোমিটার অংশ এবং ২৫টি কালভার্ট ও দুটি ব্রিজ নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে সাতকানিয়ায় ৬১টি সড়কের প্রায় ৪৭ কিলোমিটার, ছয়টি কালভার্ট ও একটি পানি নিষ্কাশন কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অবকাঠামো মেরামত করতে বাঁশখালীতে প্রায় ১৫ কোটি ৮ লাখ এবং সাতকানিয়ায় প্রায় ৩০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাঁশখালীর সরল, কাথরিয়া, শেখেরখীল, শীলকূপ, জলদী, কালীপুর ও সাধনপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপজেলার কোনো সড়কই এই বন্যার ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রেহাই পায়নি। ফলে গ্রামের মানুষ চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সম্পর্কিত খবর
নয় অঞ্চলে ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস, জারি সতর্ক সংকেত
সংসদে মন্ত্রিসভার নতুন দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমান
চট্টগ্রামে হাসপাতালগুলোতে অনিয়ম, পার্কিং ও নিরাপত্তায় চউকের নোটিশ
ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে তারেক…
সাতকানিয়ায় মাকে মারধর: মাদকাসক্ত ছেলের এক বছরের জেল
চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে অগ্নি-নিরাপত্তা ও পার্কিংয়ের ব্যাপক অব্যবস্থা, নির্দেশ…