যানজট নিয়ন্ত্রণে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যাত্রীদের স্বার্থে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজি-বাইক নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, এসব যানবাহন পরিচালনার জন্য শিগগিরই একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করা হবে। গতকাল সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ঢাকা শহরে মাল্টি মোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং ব্যাটারিচালিত যানগুলোর ব্যবস্থাপনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চূড়ান্ত পর্যায়ে।
সংসদে আলোচনাকালে শওকত আরা আক্তার কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে দেশের সব গণপরিবহন বৈদ্যুতিক ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তরের প্রস্তাব দেন। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। পরিবহন খাত থেকে দেশে বছরে প্রায় ১১.৬ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হচ্ছে, যা মোট নিঃসরণের ৯ শতাংশ। এর মধ্যে ৭৭ থেকে ৯০ শতাংশ আসে সড়ক পথ থেকে। তিনি জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে সৌর বিদ্যুতে চলা যানবাহনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়ে শওকত আরা আক্তার বলেন, এটি সস্তা ও পরিবেশবান্ধব হলেও অনিয়ন্ত্রিত ও মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি যানজট ও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাইসেন্স ও প্রশিক্ষণবিহীন চালকদের কারণে সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি এগুলো বন্ধ না করে মান উন্নয়ন ও একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে আনার মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফেরানোর ওপর গুরুত্ব দেন। জবাবে সড়কমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাটারিচালিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।

