
কর্ণফুলীতে দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য বাড়ছে
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের সোল্লার বাপের বাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শুক্রবার ভোরে জাবেদ (৩৬) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাবেদ দুই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করলেও ঘটনার সময় ছোট স্ত্রী রিনা আক্তারের সঙ্গেই ওই বাসায় ছিলেন।
মৃত জাবেদ কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা হাসেমের বাড়ি এলাকার মো. নাজেমের ছেলে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসার একটি কক্ষে তার মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার বড় স্ত্রী, ভাই-বোন ও অন্যান্য স্বজন মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে নিরলসভাবে: রিজভী
প্রাণহানি ঠেকাতে রাজধানীর খেলা দেখার স্থানে নজরদারি বাড়ালো পুলিশ
হাজারীবাগে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৭ জন
বঞ্চিত ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পুনর্বহাল, আযমী পাচ্ছেন এক কোটি টাকা…
সাঈদীর সাক্ষী অপহরণ: এএসপি ফজলুরকে গ্রেফতার করলো ডিবি
এনবিআর সদর দপ্তরে প্রবেশে কঠোর নিয়ম, অনুমতি ছাড়া আসা নিষিদ্ধ

আরও পড়ুন

কর্ণফুলীতে দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য বাড়ছে
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের সোল্লার বাপের বাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শুক্রবার ভোরে জাবেদ (৩৬) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাবেদ দুই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করলেও ঘটনার সময় ছোট স্ত্রী রিনা আক্তারের সঙ্গেই ওই বাসায় ছিলেন।
মৃত জাবেদ কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা হাসেমের বাড়ি এলাকার মো. নাজেমের ছেলে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসার একটি কক্ষে তার মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার বড় স্ত্রী, ভাই-বোন ও অন্যান্য স্বজন মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে নিরলসভাবে: রিজভী
প্রাণহানি ঠেকাতে রাজধানীর খেলা দেখার স্থানে নজরদারি বাড়ালো…
হাজারীবাগে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৭ জন
বঞ্চিত ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পুনর্বহাল, আযমী পাচ্ছেন এক…
সাঈদীর সাক্ষী অপহরণ: এএসপি ফজলুরকে গ্রেফতার করলো ডিবি
এনবিআর সদর দপ্তরে প্রবেশে কঠোর নিয়ম, অনুমতি ছাড়া…