বজ্রপাতে মৃত্যুরোধে ১৫ জেলায় ৬ হাজারের বেশি বজ্রনিরোধক স্থাপনের উদ্যোগ
দেশের বজ্রপাতপ্রবণ ১৫টি জেলায় প্রাণহানির ঝুঁকি কমাতে বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনার আওতায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রায় ৬ হাজার ৭০০টি বজ্রনিরোধক বা লাইটনিং আরেস্টার স্থাপন করা হবে। এছাড়াও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৫০০টি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। সতর্কবার্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও তা জনগণের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্ণতা কেন্দ্রে এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের পরিচালক নিতাই চন্দ্র দে সরকার। আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে রাইমস ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নিতাই চন্দ্র দে সরকার জানান, প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন বজ্রপাতের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে আগের চেয়ে অনেক আগে। অতীতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট আগে সতর্কবার্তা দেওয়া গেলেও এখন দুই থেকে চার ঘণ্টা পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তবে এই সতর্কবার্তা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। এজন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের মাধ্যমে অবস্থানভিত্তিক বার্তা পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হলেও ব্যয় নিয়ে কিছু জটিলতার কারণে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

