
তারেক রহমানের প্রথম সফরে মালয়েশিয়া-চীন: অর্থনীতি ও কূটনীতির নতুন ইঙ্গিত
প্রায় দেড় যুগ পর বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার জানান দিতে তিনি প্রথম সফরেই মালয়েশিয়া ও চীনকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স ও উন্নয়ন অংশীদারদের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এই সফর সাজানো হয়েছে।
কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল শ্রমবাজার খুলে দেওয়া। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এই বাজার পুনরায় চালুর ব্যাপারে দুই পক্ষ আলোচনা করেছে। সফর শেষে ৩৩ দফার যৌথ বিবৃতির পাশাপাশি সংস্কৃতি খাতে একটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘এক্সচেঞ্জ অব নোটস’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়াও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে দুই দেশের সাথেই জ্বালানি, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও হালাল অর্থনীতিতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি হয়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার সাথে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও পর্যটন এবং চীনের সাথে বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
২৭তম বিসিএস: যোগদানের তারিখ ও বেতন নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
বিরোধীদের আন্দোলনের সমালোচনায় সংসদে কোরআনের আয়াত পড়ে শোনালেন এমপি মাহফুজুল্লাহ
দেশের ১১ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
১৭ বছর পর সত্যিকারের সংসদ পেল বাংলাদেশ: স্পিকার
ঢাকার খাল পুনরুদ্ধারে নৌবাহিনী, মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুলশানে অভিযান, রেস্তোরাঁকে জরিমানা ৫০ হাজার টাকা

আরও পড়ুন

তারেক রহমানের প্রথম সফরে মালয়েশিয়া-চীন: অর্থনীতি ও কূটনীতির নতুন ইঙ্গিত
প্রায় দেড় যুগ পর বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার জানান দিতে তিনি প্রথম সফরেই মালয়েশিয়া ও চীনকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স ও উন্নয়ন অংশীদারদের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এই সফর সাজানো হয়েছে।
কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল শ্রমবাজার খুলে দেওয়া। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এই বাজার পুনরায় চালুর ব্যাপারে দুই পক্ষ আলোচনা করেছে। সফর শেষে ৩৩ দফার যৌথ বিবৃতির পাশাপাশি সংস্কৃতি খাতে একটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘এক্সচেঞ্জ অব নোটস’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়াও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে দুই দেশের সাথেই জ্বালানি, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও হালাল অর্থনীতিতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি হয়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার সাথে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও পর্যটন এবং চীনের সাথে বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
২৭তম বিসিএস: যোগদানের তারিখ ও বেতন নির্ধারণে অর্থ…
বিরোধীদের আন্দোলনের সমালোচনায় সংসদে কোরআনের আয়াত পড়ে শোনালেন…
দেশের ১১ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর…
১৭ বছর পর সত্যিকারের সংসদ পেল বাংলাদেশ: স্পিকার
ঢাকার খাল পুনরুদ্ধারে নৌবাহিনী, মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুলশানে অভিযান, রেস্তোরাঁকে জরিমানা ৫০ হাজার…