ছেঁড়া-ফাটা নোট বদলের সেবা চলমান রাখতে সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ
জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে, ছেঁড়া, ফাটা কিংবা বহুল ব্যবহৃত নোটের বদলের পাশাপাশি ত্রুটিপূর্ণ ও দাবিযোগ্য নোট বিনিময়ের সেবা নিয়মিতভাবে চালু রাখতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানান।
প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল জানতে চেয়েছিলেন, দেশের কিছু দরিদ্র মানুষ বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ব্যবহারযোগ্য মুদ্রা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পুরোনো টাকা বদলে সামান্য মুনাফায় নতুন নোট দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ফলে একদিকে ব্যবহারযোগ্য মুদ্রা ব্যাংকে জমা হয়, অন্যদিকে এসব মানুষ সংসার চালানোর সামর্থ্য পান। কিন্তু বর্তমানে নতুন নোট সরবরাহ বন্ধ থাকায় তাঁদের আয়ের পথ রুদ্ধ হয়েছে জানিয়ে তিনি এই ব্যবস্থা পুনরায় চালু হবে কি না জানতে চান। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অপ্রচলনযোগ্য, ত্রুটিপূর্ণ ও দাবিযোগ্য নোট বিনিময়ের সেবা জনগণের কাছে নিয়মিত পৌঁছে দিতে সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সেই কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। ওই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
অর্থমন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করেন, নতুন নোট মুদ্রণ ও তা বাজারে ছাড়া একটি স্বাভাবিক অবিরাম প্রক্রিয়া। নতুন মুদ্রিত নোট ব্যাংকিং চ্যানেলের লেনদেন ও বিনিময় সেবার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে জনসাধারণের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ব্যাংকিং চ্যানেলে ছেঁড়া-ফাটা নোটের বদল ও বিনিময়কে স্বাভাবিক নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনার মাধ্যমে নোট বিনিময় সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে আশা করা যাচ্ছে।

