শেরপুরে গারো সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, শাহবাগে বিচারের দাবি
শেরপুরে সংখ্যালঘু গারো সম্প্রদায়ের ওপর চালানো বর্বরোচিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি উঠেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১২ আগস্ট স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, হামলাকারীরা কমপক্ষে ১৯টি গারো পরিবারের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় নারীদের শ্লীলতাহানি এবং বাসিন্দাদের মারধর করা হয়। হামলার শিকার নীলু চাম্বুগং বলেন, কোনো প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই একটি মরদেহ উদ্ধারকে অজুহাত দেখিয়ে তাদের সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাদের গবাদিপশু, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এমনকি খাদ্যশস্যও লুট করে নিয়ে গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণে অস্বীকার করে। বর্তমানে ওই এলাকার গারো সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক জাকির হোসেন মানববন্ধনে বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আদমশুমারিতে আদিবাসীদের সংখ্যা কম দেখানোর প্রবণতাকেও এই সহিংসতার পেছনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

