
গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ‘গুম নিরোধ আইন ২০২৬’ এর খসড়া প্রকাশ
গুমের মতো ঘটনা বন্ধ করতে এবং এর বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ‘গুম নিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬’ এর খসড়া প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, গুমের শিকার ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা পাঁচ বছর পরও সন্ধান না মিললে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জনমত যাচাইয়ের জন্য এই খসড়া আপলোড করা হয়।
খসড়া আইন অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য কাউকে আটকের পর তা অস্বীকার করলে বা তার হদিস গোপন রাখলে তা ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে। আর ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে ঘটা গুমের ঘটনাগুলোর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা হবে।
সাধারণ গুমের ঘটনায় সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে গুমের কারণে মৃত্যু ঘটলে বা ৫ বছরেও সন্ধান না মিললে অপরাধী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি সর্বনিম্ন ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানার সম্মুখীন হবেন। এছাড়া গোপন আটক কেন্দ্র বা ‘আয়নাঘর’ স্থাপন এবং গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করলে ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
সহিংসতার মুখে কন্যাশিশু: ধর্ষণ ও বাল্যবিয়েতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি
নির্যাতনের শিকার কন্যাশিশু: ধর্ষণ ও বাল্যবিবাহে সর্বোচ্চ ঝুঁকি
হালদায় রাতভর অভিযান, লাখ টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
সহিংসতার কবলে কন্যাশিশুরা, বাড়ছে ঝুঁকি: মহিলা পরিষদ
বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব: ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা হবে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্রতিষ্ঠান

আরও পড়ুন

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, ‘গুম নিরোধ আইন ২০২৬’ এর খসড়া প্রকাশ
গুমের মতো ঘটনা বন্ধ করতে এবং এর বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ‘গুম নিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬’ এর খসড়া প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, গুমের শিকার ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা পাঁচ বছর পরও সন্ধান না মিললে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জনমত যাচাইয়ের জন্য এই খসড়া আপলোড করা হয়।
খসড়া আইন অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য কাউকে আটকের পর তা অস্বীকার করলে বা তার হদিস গোপন রাখলে তা ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে। আর ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে ঘটা গুমের ঘটনাগুলোর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা হবে।
সাধারণ গুমের ঘটনায় সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে গুমের কারণে মৃত্যু ঘটলে বা ৫ বছরেও সন্ধান না মিললে অপরাধী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি সর্বনিম্ন ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানার সম্মুখীন হবেন। এছাড়া গোপন আটক কেন্দ্র বা ‘আয়নাঘর’ স্থাপন এবং গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করলে ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
সহিংসতার মুখে কন্যাশিশু: ধর্ষণ ও বাল্যবিয়েতে সবচেয়ে বেশি…
নির্যাতনের শিকার কন্যাশিশু: ধর্ষণ ও বাল্যবিবাহে সর্বোচ্চ ঝুঁকি
হালদায় রাতভর অভিযান, লাখ টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে…
সহিংসতার কবলে কন্যাশিশুরা, বাড়ছে ঝুঁকি: মহিলা পরিষদ
বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব: ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল…
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা হবে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্রতিষ্ঠান