
সাভারে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, শঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী
সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড় এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজের কারণে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণে এক পোশাকশ্রমিক দম্পতি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ওই এলাকার একটি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
আহতরা হলেন মো. কায়সার (২৮) ও তার স্ত্রী মোছা. রুবি আক্তার (২৪)। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা কায়সার পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক। তাদের পরিবারের অভিযোগ, ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়া মূল গ্যাস লাইনের পাইপ ফুটো ছিল, যা বারবার বাসার মালিককে জানানোর পরও মেরামত করা হয়নি। এর ফলে ঘরে গ্যাস জমে যায় এবং রাতে কয়েল ধরানোর জন্য লাইটারের আগুন ধরাতেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, কায়সারের শরীরের ১০০ শতাংশ এবং তার স্ত্রী রুবির শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চলছে।
সম্পর্কিত খবর
সীমান্ত উত্তেজনা: আফগান ভূখণ্ডে ১০ পয়েন্টে পাকিস্তানের হামলা
বাজারে সোনার দাম: এক ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা…
ধ্বংসস্তূপ থেকে গাজা: ৬৬ প্রকল্পে ২৪৫ কোটি ডলারের পুনরুদ্ধার রূপরেখা
বাবার স্বপ্নপূরণে ২২ বছর অপেক্ষা: বরুড়ায় ২০ শয্যার হাসপাতাল উদ্বোধন
সিঙ্গাপুরে ‘সাইলেন্ট হিরোস’ খেতাব পেলেন সাকিব, ফাইনালিস্ট রায়হান
তিস্তার উত্তাল স্রোতে ভেসেছিল হাতির বাচ্চা, জেলেদের সাহসে ফিরল মায়ের…

আরও পড়ুন

সাভারে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, শঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী
সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড় এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজের কারণে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণে এক পোশাকশ্রমিক দম্পতি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ওই এলাকার একটি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
আহতরা হলেন মো. কায়সার (২৮) ও তার স্ত্রী মোছা. রুবি আক্তার (২৪)। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা কায়সার পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক। তাদের পরিবারের অভিযোগ, ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়া মূল গ্যাস লাইনের পাইপ ফুটো ছিল, যা বারবার বাসার মালিককে জানানোর পরও মেরামত করা হয়নি। এর ফলে ঘরে গ্যাস জমে যায় এবং রাতে কয়েল ধরানোর জন্য লাইটারের আগুন ধরাতেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, কায়সারের শরীরের ১০০ শতাংশ এবং তার স্ত্রী রুবির শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চলছে।
সম্পর্কিত খবর
সীমান্ত উত্তেজনা: আফগান ভূখণ্ডে ১০ পয়েন্টে পাকিস্তানের হামলা
বাজারে সোনার দাম: এক ভরি ২ লাখ ৩৪…
ধ্বংসস্তূপ থেকে গাজা: ৬৬ প্রকল্পে ২৪৫ কোটি ডলারের…
বাবার স্বপ্নপূরণে ২২ বছর অপেক্ষা: বরুড়ায় ২০ শয্যার…
সিঙ্গাপুরে ‘সাইলেন্ট হিরোস’ খেতাব পেলেন সাকিব, ফাইনালিস্ট রায়হান
তিস্তার উত্তাল স্রোতে ভেসেছিল হাতির বাচ্চা, জেলেদের সাহসে…