
বংশালের কারখানার বাথরুমে শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর বংশালে অবস্থিত একটি পোশাক কারখানার শৌচাগার থেকে মোহাম্মদ শামীম (২২) নামে এক শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ওই শ্রমিককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শামীমের সহকর্মী রাশেদুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শামীম কাজের ফাঁকে বাথরুমে যান। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ পার হলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীরা দরজার বাইরে থেকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে এক সহকর্মী দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখেন যে, শামীম গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় পাইপের সাথে ঝুলে আছেন। দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চিকিৎসক তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
নিহত শামীম শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রানীগাঁও গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নাজিরাবাজার চৌরাস্তা সংলগ্ন ইদ্রিস প্লাজার ৭ম তলার রাজু ফ্যাশন নামক কারখানায় বসবাস ও কর্মরত ছিলেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় খবর পাঠানো হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ৩৬ দিনের রক্তাক্ত স্মৃতি এখনো জীবন্ত
চরম গ্যাস সংকটে নাজেহাল সিএনজি চালকরা, কমেছে রোজগার
বিচারবহির্ভূত হত্যা প্রায় শূন্য, গুমে জিরো টলারেন্স: আইনমন্ত্রী
আধুনিক বাংলাদেশের চাবিকাঠি: সেমিকন্ডাক্টরকে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রধানমন্ত্রীর
যাত্রাবাড়ীতে বাসে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে ৫০ হাজার টাকা হারালেন ব্যবসায়ী
ঢাকায় গ্যাসের তীব্র সংকট, হিটারে রান্নায় বাড়ছে খরচ

আরও পড়ুন

বংশালের কারখানার বাথরুমে শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর বংশালে অবস্থিত একটি পোশাক কারখানার শৌচাগার থেকে মোহাম্মদ শামীম (২২) নামে এক শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ওই শ্রমিককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শামীমের সহকর্মী রাশেদুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শামীম কাজের ফাঁকে বাথরুমে যান। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ পার হলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীরা দরজার বাইরে থেকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে এক সহকর্মী দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখেন যে, শামীম গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় পাইপের সাথে ঝুলে আছেন। দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চিকিৎসক তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
নিহত শামীম শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রানীগাঁও গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নাজিরাবাজার চৌরাস্তা সংলগ্ন ইদ্রিস প্লাজার ৭ম তলার রাজু ফ্যাশন নামক কারখানায় বসবাস ও কর্মরত ছিলেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় খবর পাঠানো হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ৩৬ দিনের রক্তাক্ত স্মৃতি এখনো জীবন্ত
চরম গ্যাস সংকটে নাজেহাল সিএনজি চালকরা, কমেছে রোজগার
বিচারবহির্ভূত হত্যা প্রায় শূন্য, গুমে জিরো টলারেন্স: আইনমন্ত্রী
আধুনিক বাংলাদেশের চাবিকাঠি: সেমিকন্ডাক্টরকে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রধানমন্ত্রীর
যাত্রাবাড়ীতে বাসে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে ৫০ হাজার টাকা…
ঢাকায় গ্যাসের তীব্র সংকট, হিটারে রান্নায় বাড়ছে খরচ